- Home
- World News
- International News
- Eid al-Fitr 2026: যুদ্ধের আবহে ইদের আনন্দে ভাটা, গণহারে ফ্লাইট বাতিলে ঘরে ফেরা অনিশ্চিত প্রবাসী ভারতীয়দের
Eid al-Fitr 2026: যুদ্ধের আবহে ইদের আনন্দে ভাটা, গণহারে ফ্লাইট বাতিলে ঘরে ফেরা অনিশ্চিত প্রবাসী ভারতীয়দের
Eid al-Fitr 2026 News Update: মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে এবার খুশির ইদে ঘরে ফেরা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে। কেন এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে? বিশদ তথ্যের জন্য দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

ইদেও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কালো ছায়া!
খুশির উৎসব ইদেও বিষাদের সুর মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের মনে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে আকাশপথে যাতায়াত চরমভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় এ বছর বহু ভারতীয়র পক্ষেই উৎসবে বাড়ি ফেরা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গলফ বা উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ ভারতীয়দের একটি বড় অংশ এই অনিশ্চয়তার কবলে পড়েছেন।
বিঘ্নিত বিমান পরিষেবা ও আকাশছোঁয়া ভাড়া
যুদ্ধের কারণে বিমানপথ বা এয়ার-রুট পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা। নিরাপত্তার খাতিরে অনেক দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় বা নিয়ন্ত্রিত করায় একের পর এক ফ্লাইট বাতিল। এছাড়াও শেষ মুহূর্তে হাজার হাজার বিমানের টিকিট বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। যে কয়েকটি বিমান চলছে, সেগুলোর টিকিটের দাম সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনিশ্চয়তার মেঘে ঢাকা প্রবাসীদের ইদের আনন্দ
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয়দের কাছে ইদের খুশি এবার উদ্বেগে রূপ নিয়েছে। আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। যারফলে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ইদ কাটানোর সেই চেনা ছবিটা এবার ফিকে হয়ে আসছে।
বাড়ি ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা
সূত্রের খবর, প্রতি বছর ইদ উপলক্ষে সৌদি ও কাতারের প্রবাসী ভারতীয়রা ৫-৭ দিনের দীর্ঘ ছুটি পান। যা তাঁদের দেশে ফেরার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরান সংঘাতের আবহে প্রবাসী ভারতীয়দের সেই দীর্ঘ পরিকল্পনায় ঢালল জল। ফলে এবছর ইদে ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের কাছে।
আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়া
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে আকাশছোঁয়া বিমান ভাড়ার দাপটে এবার ফিকে হতে বসেছে উৎসবের আনন্দ। সাধারণ সময়ের তুলনায় ১০ থেকে ১২ গুণ বেশি ভাড়ার বোঝা এবং একের পর এক ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। ফলে ইদে ঘরে ফেরা কার্যত অনিশ্চিত।
গণহারে ফ্লাইট বাতিল
একদিকে গণহারে ফ্লাইট বাতিল, অন্যদিকে সুযোগ বুঝে টিকিটের দাম ১০ থেকে ১২ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া—এই দ্বিমুখী সংকটে পড়ে বিদেশ থেকে বহু মানুষের দেশে ফেরা এখন অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, সাধারণ সময়ে যে টিকিট পেতে যা খরচ হয়, বর্তমানে তা মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। জরুরি প্রয়োজনে বা উৎসব কাটাতে যারা বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন, আকাশছোঁয়া ভাড়ার কারণে তাদের সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে হচ্ছে। একে তো আসন সংখ্যা সীমিত, তার ওপর শেষ মুহূর্তে বিমান বাতিলের খড়্গ নেমে আসায় পর্যটন ও যাতায়াত ক্ষেত্র কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

