বড় দিনের সঙ্গে সবার দারুণ উপহার অপেক্ষা করছে সবার জন্য় । এক ঐতিহাসিক সূর্যগ্রহণ দেখতে পাবে গোটা দেশ। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সেই সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। এইবারে ভারত থেকে এই অসামান্য মহাকাশীয় ঘটনাটি দৃশ্যমান হবে। শেষবার মানুষ দেখেছিল ১৭২ বছর আগে।

আরও পড়ুন, ঘন কুয়াশায় ঢাকল শহর, তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি নীচে

এই গ্রহণের সময় সূর্যের চারপাশে থাকবে আগুনের বলয়। বিজ্ঞানীরা যাকে বলেন 'রিং অব ফায়ার'। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আড়াই ঘণ্টা ধরে চলবে এই মহাজাগতিক দৃশ্য। সূর্যকে ৯০ শতাংশের বেশি ঢেকে ফেলবে চাঁদ, যা খালি চোখেই অবলোকন করতে পারবেন পৃথিবীবাসী। ভারত ছাড়াও সৌদি আরব, সুমাত্রা এবং বোর্নিও থেকেও দেখা যাবে এই সূর্যগ্রহণ। যখন চাঁদ তার কেন্দ্র থেকে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে তখন চাঁদের ঢেকে দেওয়া অংশটুকু বাদে সূর্যের বাকিটা দৃশ্যমানই থাকে।

আরও পড়ুন, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদের পথে পড়ুয়ারা, শহরে উঠল আজাদির স্লোগান

সূত্রের খবর, জানা গিয়েছে কেরালার চেরুভাথুর এই বছর সৌরগ্রহণ প্রত্যক্ষ করার জন্য সেরা স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম একটি। কাসারগোদ জেলার একটি শহর চেরুভাথুর পৃথিবীর এমন কয়েকটি জায়গার মধ্যে অন্যতম যেখান থেকে এই গ্রহণ সবচেয়ে পরিষ্কার দেখা যাবে। তবে কলকাতায় এই গ্রহণ দেখার সম্ভাবনা অনেক কম। কারণ মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টি। দেখে যেন মনে হয় একটা সোনালি রঙের আংটি। এই ধরণের সূর্যগ্রহণকেই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ বলে। আর এই বছর, চাঁদ সূর্যকে মাঝখান থেকে ঢেকে ফেলবে। সূর্যের প্রান্তকে আগুনের আংটি বা আগুনের বলয় হিসাবেই দেখা যাবে। 

মৌসম ভবন জানাচ্ছে, একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা তৈরি হচ্ছে। তার জেরে পশ্চিম হিমালয়ের বিভিন্ন প্রান্তে বরফপাত ও বৃষ্টি হতে পারে। ২৪ তারিখ থেকে ২৫ তারিখের মাঝে এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সঙ্গে বাতাসের ধাক্কায় একটি উচ্চচাপ বলয়ের সৃষ্টি হবে। তার জেরে ভারতের পূর্ব মধ্য প্রান্ত এবং পূর্ব ভারতের উপকূলবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।