নিয়মমাফিক সংগঠনের বৈঠকে ডেকেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। এর সঙ্গে 'মুকুল-দিলীপের দ্বন্দ্বের' কোনও যোগ নেই। সারাদিন বিতর্কের পর এরকমই নির্যাস উঠে এল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে।

একটি পোর্টালের দাবি ঘিরে সকাল থেকেই সরগরম ছিল রাজ্য রাজনীতি। ওই নিউজ পোর্টালের দাবি,মুকুল রায়ের থেকে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে বড় নেতা মনে করেন দিলীপ ঘোষ। নিজেই নাকি এই কথা বলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এমনকী দলে মুকুলের রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং প্রভাব নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। সবথেকে বড় কথা, এই খবর প্রকাশ্য়ে আসতেই মন্তব্য নিয়ে মুখ খোলেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, 'কে বড় নেতা তা মানুষই বিচার করবেন।'

আরও পড়ুন : মুকুল- দিলীপ দ্বন্দ্বে ঘোর অস্বস্তি বিজেপি-তে, দুই নেতাকে ডাকলেন অমিত শাহ

আরও পড়ুন :অনুপ্রবেশকারী হটাতে আগে কী করেছিলন, মমতাকে খোঁচা স্মৃতির

পরে বিকেল হতেই পোর্টালের বক্তব্য নিয়ে সাফাই দেন দিলীপবাবু। তিনি বলেন, 'কোনও পোর্টালে এরকম কোনও সাক্ষাৎকার দেননি তিনি। এরকম অনেক লোকের সঙ্গেই তাঁর অনেক কথা হয়ে থাকে। সেই নিয়ে লেখালিখিও হয়। কিন্তু এই নিয়ে দলীয় কর্মীদের মধ্য়ে যেন বিভ্রান্তি তৈরি না হয়। ' তবে দিলীপবাবু ড্য়ামেজ কন্ট্রোলে নামলেও ইতিমধ্যেই দিলীপ-মুকুল দ্বন্দ্ব পৌঁছে গিয়েছে রাজধানীর রাজনীতিতে। সকাল থেকেই খবর রটে যায়, দিল্লিতে পোর্টালের খবর সত্য়ি কিনা জানতে রাজ্য সভাপতিকে ডেকে পাঠিয়েছেন অমিত শাহ। সেখানে মুকুলের সামনেই আলোচনা সারবেন তিনি।

আরও পড়ুন :বাইরে থেকে তালা বন্ধ, ৮দিন দিদির মৃতদেহের পাশে ভাই

আরও পড়ুন :অভিনন্দন-সহ ভারতীয় সেনাকে শ্রদ্ধা, মহরমে অন্য রকম শোভাযাত্রা দেখল মেদিনীপুর

যদিও এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক কোনও আচমকা তলব নয়। প্রতি মাসেই এই বৈঠক করার কথা রয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির। বাংলায় বিজেপির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতেই এই বৈঠক হওযার কথা। সেখানে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও রাজ্য থেকে উপস্থিত থাকবেন সুব্রত চ্যাটার্জি ও কিশোর বর্মন। রাজ্য নেতারা ছাড়াও বিজেপির কেন্দ্রীয় স্তরের ৬ নেতা থাকবেন সেখানে। অমিত শাহের বাড়িতেই হবে সেই বৈঠক।