মঙ্গলবার দুপুরে নেটমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিয়োয় এমনই দৃশ্য দেখা যায়। ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় বিভিন্ন মহলে। পুলিশের অভিযোগ আক্রমণকারীরা বিজেপির কর্মী-সমর্থক।

বিজেপির নবান্ন অভিযান কর্মসূতে গুরুতরভযবে জখম কলকাতা পুলিশের অন্তত ৩০ জন কর্মী। শুধু তাই নয় রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার দুপুরে নেটমাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিয়োয় এমনই দৃশ্য দেখা যায়। ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় বিভিন্ন মহলে। পুলিশের অভিযোগ আক্রমণকারীরা বিজেপির কর্মী-সমর্থক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি কলকাতা পুলিশের এসি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। বড় বাজার থানায় এই মর্মে একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মঙ্গলবার দুপুরে নেট মাধ্যমে ভাইরাল হয় একটি ভিডিও। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে হেলমেট পরা এক পুলিশ কর্মীর দিকে লাঠি, পাথর হাতে তেরে আসছেন কয়েকজন। শুরু হয় এলোপাথারি মারধর। তাঁদের বেশিরভাগের হাতেই বিজেপির পতাকা। ক্যামেরায় দেখা যায় আক্রান্ত পুলিশ কর্মী হলেন কলকাতা পুলিশের এসি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়। আগে হেয়ার স্ট্রিট থানার ওসি ছিলেন দেবজিৎ। ভিডিও-এ দেখা যায় তিনি দৌড়নোর চেষ্টা করলে তাঁকে ধাওয়া করা। তাঁকে রীতিমত রাস্তায় ফেলে এলোপাথারি লাঠি চালানো হয়। দুই পুলিশ কর্মীর চেষ্টায় কোনও মতে নিগ্রহকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয় দেবজিৎকে। 
এলাকার সিসি ক্যামেরাতেও ধরা পড়েছে গোটা ঘটনা। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিজেপি কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছে কমপক্ষে আরও ৩০ জন পুলিশ কর্মী। মহাত্মা গাঁধী রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন বিজেপি কর্মীরা বলে অভিযোগ। 

Scroll to load tweet…
Scroll to load tweet…


বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন সকাল থেকে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ শহরের একাধিক এলাকা। মিছিল ঠেকাতে বিশাল পুলিশ বাহিনি মোতায়েন করা হয় কোনা এক্সপ্রেসওয়ে, ডানকুনি, দ্বিতীয় হুগলি সেতু সহ নানা জায়গায়। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে দ্বিতীয় হুগলি সেতু, এনসি স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, স্টান্ড রোড, কিংসওয়ে মোড় সহ একাধিক রাস্তায়। বিজেপির জমায়েত রুখতে ব্যরিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে নবান্ন মুখী বিভিন্ন রাস্তা। প্রস্তুত জলকামান ও ড্রোন। ইতিমধ্যে মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত সাঁতরগাছি। দ্বিতীয় হুগলি সেতুর কাছ থেকে আটক করা হয় শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায় ও রাহুল সিনহাকে। অশান্তির আঁচ কলকাতা ছাড়িয়ে পৌঁছেছে জেলা পর্যন্ত। নবান্ন অভিযানে পুলিশি বাধার প্রতিবাদে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাজুড়ে পথ অবরোধ বিজেপির। 

আরও পড়ুন- বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার, পুলিশের গাড়িতে আগুন- দেখুন সেরা ১৫টি ছবি

সকাল থেকেই বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে তুঙ্গে প্রস্তুতি। মিছিল রুখতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনি। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় নবান্ন মুখি বিভিন্ন রাস্তা। যে কোনও রকমের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছিল জলকামান ও ড্রোন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয় সাঁতরাগাছি বাসস্ট্যান্ড, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয় বেলেপোল এলাকায়। ডানকুনি হাউসিং মোড়, টোল প্লাজা,কালিপুরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনি। 

আরও পড়ুন - জল কামান-কাঁদানে গ্যাসে অসুস্থ বিজেপি কর্মীরা, ২টো ৪০-এ নবান্ন অভিযান শেষ বলে জানালেন দিলীপ ঘোষ

আরও পড়ুন লালবাজার থেকে বেরিয়েই আইনী পথে লড়াইয়ের হুঙ্কার শুভেন্দু অধিকারীর, প্রত্যেক কর্মীকে ছাড়িয়ে আনার অঙ্গীকার