রাজ্য়ে লকডাউনেও মিষ্টির দোকানকে ছাড় দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। মঙ্গলবার থেকে মিষ্টির দোকান খুলতে পারবেন দোকানিরা। তবে নিয়ম মেনে গ্রাহকদের রাখতে হবে 'সোশ্য়াল ডিস্ট্য়ান্সিং'। দোকান খোলা  রাখলেও  ১২টা থেকে ৪টে পর্যন্ত ব্যবসার অনুমতি  দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। 

এক মাসের 'অগ্রিম বেতন' দেবে রাজ্য়, করোনায় নয়া প্রস্তাব মুখ্য়মন্ত্রীর.

রাজ্য়ে মিষ্টির দোকান খোলা নেই। দুধ না বেঁচতে পেরে 'সুষম আহার' ফেলে দিচ্ছে গোয়ালারা। লকডাউন শুরু হতেই বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছে দুধ ব্যবসা। বার বার এ বিষয়ে মুখ্য়মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দুধ চাষিরা। এবার তাঁদের কথা চিন্তা করেই লকডাউনে অল্প সময়ের জন্য় মিষ্টির দোকান খোলা রাখার কথা বললেন মুখ্য়মন্ত্রী। এদিন তিনি বলেন, মিষ্টির দোকান খোলা রখালে দুধ চাষিদের দুধটা নষ্ট হবে না। তবে মিষ্টির দোকানে যারা যাবেন, তাদেরও দূরে দূরে লাইন দিয়ে মষ্টি কেনার পরামর্শ দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। 

করোনা বাজারে স্বাস্থ্য়সেবক নেবে রাজ্য় সরকার, মিলবে ভাতা.

এদিকে মুখ্য়মন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি দুধ চাষি থেকে মিষ্টির দোকানের মালিকরা। তাদের মতে, দোকান খুলতে না পেরে নষ্ট হতে যাচ্ছিল সন্দেস, রসোগোল্লা। অনেকে ফ্রিজে রাখা মিষ্টি খেতে চান না। তাই লকডাউনে মুখ্য়মন্ত্রীর নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলাম। আশা করি, করোনা রুখতে নিয়ম মেনে দোকান চালাব। রাজ্য়ের বর্তমান করোনা আক্রান্তের পরিসংখ্য়ান বলছে, সব মিলিয়ে সংক্রমিতের সংখ্য়া ২২। যার মধ্য়ে ২ জন মারা গিয়েছেন। ফলে ক্রমশই করোনা নিয়ে চাপ বাড়ছে রাজ্য়বাসীর  মনে। এরকম একটা অবস্থায় কেনাকাটার দিকে অনেকেই ঝুঁকছেন না। নিত্য় প্রয়োজনীয় জিনিস বা ওষুধ বাদে সেরকম সমস্যা  না থাকলে বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন না অনেকেই। 

৫ নয় ১০ লক্ষ দেবে রাজ্য় সরকার, ডাক্তার-স্বাস্থ্য়কর্মীদের বিমার মূল্য বাড়ল.

এদিকে রাজ্য়ে করোনা রুখতে নিজেই একাধিক বাজার পরিদর্শনে নেমেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। সম্প্রতি জানবাজার, পোস্তা ও আরও বেশ কয়েকটি বাজারে যান তিনি। সেকানে  'সোশ্য়াল ডিস্ট্য়ান্সিং' বোঝাতে নিজেই রাস্তায়  দাগ কেটে দেন মুখ্য়মন্ত্রী। সবাইকে দূরে দূরে লাইন দিয়ে বাজার করতে বলেন। কিন্তু কোনওভাবেই বাজার বন্ধ করার পক্ষপাতী নন  তিনি।