জরুরি পরিষেবা চালু রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ আগেই নিয়েছিল রাজ্য পরিবহন দফতর। এবার কলকাতার পাশাপাশি এবার জেলাগুলিতেও স্বাস্থ্যকর্মীদের ও চিকিৎসকদের নিয়ে আসা যাওয়ার জন্য চালু হয়ে গেল বাস পরিষেবা। বেসরকারি বাস মালিকরা এই বাস চালানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজ্য পরিবহন দফতর এই বাস চালাতে সাহায্য করছে। শনিবার সকাল থেকে এই পরিষেবা চালু হল হুগলি জেলায়। যে সমস্ত রুটে এই বাসগুলি চলবে সেগুলি জেনে নেওয়া যাক।

আরও পড়ুন, রেহাই পেল না শিশুরাও, রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও পাঁচ


হুগলি জেলার তিন হাসপাতালে মিলবে এই পরিষেবা। চন্দননগর জেলা হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে দুটি বাস। একটি বাস জুড়ে দেওয়া হচ্ছে চুঁচুড়া হাসপাতালের সঙ্গে। একটি বাস চলবে আরামবাগ হাসপাতালের জন্য। একটি বাস চলবে শ্রীরামপুর ওয়ালশ হাসপাতাল ও উত্তরপাড়া হাসপাতালের জন্য। ইতিমধ্যেই এই চারটি বাসের নম্বার, চালক ও কন্ডাক্টরদের নাম্বার দিয়ে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।


  অপরদিকে শহরতলিতে মোট ১৫টি রুটে চলবে স্পেশাল সরকারি বাস। কলকাতায় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা অবধি ১ ঘন্টা অন্তর এই পরিষেবা পাওয়া যাবে। এস ২৪  যা হাওড়া স্টেশন থেকে শিয়ালদহ হয়ে কামালগাজির মধ্যে চলাচল করবে। যার ফলে এন আর এস, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও বাইপাসের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল যুক্ত থাকছে। সি ২৬ বাস, যা হাওড়া স্টেশন থেকে বারুইপুরের মধ্যে চলাচল করবে। শিয়ালদহ হয়ে চলবে এই বাস। এবং এই বাসগুলি আগের মতোই বিভিন্ন হাসপাতালের সামনে দাড়াবে। বেলগাছিয়া থেকে কলকাতা স্টেশন হয়ে বাস যাবে কলকাতা বিমানবন্দরে৷  আরজিকর হাসপাতাল হয়ে সল্টলেকের বিভিন্ন হাসপাতালগুলিও এই রুটের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন, লকডাউনের মাঝেই অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎহীন দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায়

 গড়িয়া থেকে বারাসতের মধ্যেও  বাস চালু থাকবে। ইএম বাইপাসের ওপর সমস্ত হাসপাতাল যুক্ত হবে এই রুটে। সি ৩৭ রুটের বাস হাওড়া থেকে আমতলার মধ্যে চলবে । ডায়মন্ড হারবার রোডের ও আলিপুরের বিভিন্ন হাসপাতাল এই রুটে যুক্ত হবে। একই রুটে চলবে এস ১২ডি রুটের বাস। হাওড়া -নিউটাউনের মধ্যে চলবে এস ১২ রুটের বাস। বেলেঘাটা আই ডি ও এনআরএস হাসপাতাল যুক্ত থাকবে। গড়িয়া থেকে ডানলপের মধ্যে চলবে এস ৯এ বাস। জোকা থেকে বারাসাত মধ্যে চলবে সি ৮ রুটের বাস। হাওড়া থেকে গড়িয়ার মধ্যে চলবে এস ৫ বাস। এই সমস্ত রুটের বাস চালানোর জন্য ৩৮ টি বাস প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।  মানিকতলা, পাইকপাড়া,  বেলগাছিয়া, রাজাবাজার, ঘাসবাগান,সল্টলেক, টালিগঞ্জ,  লেক ডিপো ও টিটাগড় থেকে এই বাসগুলি অপারেট করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্য ভবনের কর্মীদের নিয়ে আসা যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে আরও অনেকগুলি বাস। পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই সমস্ত বাস চালানোর জন্য কোনও ভাড়া নেওয়া হবে না।  

আরও পড়ুন, সাধারণ মৃত্যুকেও পিছু ছাড়ল না করোনা আতঙ্ক, জ্বরে মারা যাওয়ার খবরে ভয়ে কাঁটা হরিদেবপুরবাসী