করোনা আক্রান্ত হয়েও করেছেন ভুল কাজ মা-ছেলে মিলে গিয়েছিলেন শপিং মলে এমনই অভিযোগে বিদ্ধ করোনা আক্রান্তের পরিবার অবশেষে মুখ খুললেন আক্রান্তের চিকিৎসক বাবা

করোনা আক্রান্ত হয়েও মা-ছেলে মিলে গিয়েছিলেন শপিং মলে। নিজে আমলা হয়ে ছেলে নিয়ে গিয়েছিলেন নবান্নে। শত শত অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ্য়ের প্রথম করোনা আক্রান্তের পরিবার। ঠিক কী হয়েছিলে তাদের সঙ্গে, নিজেই বললেন করোনা আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসক বাবা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এবার করোনা নিয়ে কবিতা, মমতার নিশানায় মা-ছেলে.

সংবাদ মাধ্য়মে যা কিছু লেখা হচ্ছে তার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। উল্টে চিকিৎসক পিতার দাবি, ছোট হলেও নিজেই দায়িত্ববানের ভূমিকা পালন করেছিল তাঁর ছেলে। কিন্তু একের পর এক অপবাদ দিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাদের। বলা হচ্ছে, প্রভাব খাটিয়ে সমাজের ক্ষতি পর্যন্ত করতে পিছপা হন না এরা। অথচ এসব কিছুরই দায় বর্তায় না তাদের ওপর। কারণ বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের মধ্য়ে দিয়ে এসেছিল ছেলে। সেখানে বিমানবন্দরের কর্মীরা, তার শরীরে করোনার কোনো উপসর্গ পায়নি। 

মোদীর টাকা আসছে না, করোনা রুখতে 'হাত পাতছেন' দিদি.

এমনকী শপিং মল সিনেমা বা পার্কে যে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তা কিছুই করেনি ছেলে। বার বার বলা হচ্ছে নবান্নে ছেলেকে নিয়ে অফিসে গিয়েছিলেন মা। কিন্তু সেরকম কিছুই ঘটেনি। নিজেই আসার পর থেকেই নিজেকে আমাদের থেকে দূরে রাখছিল ছেলে। নবান্নে তাঁর মা অফিসে গেলেও পার্কিংয়েই গাড়িতে বসেছিল ছেলে। পরে মা এসে সামনের সিটে বসেন। 

করোনার সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে লন্ডন ফেরত, গালিগালাজে 'উদ্ধার করছে' সোশ্য়াল মিডিয়া

 ১৫ মার্চ রাত তিনটেতে কলকাতা বিমানবন্দরে নামে ছেলের বিমান। মুখে মাস্ক পরা অবস্থাতেই সে বাইরে আসে। এয়ারপোর্টের দরজা আপনা থেকেই সরে যাওয়ায়,কোথাাও কিছু স্পর্শ করতে হয়নি তাকে। সেই সময় বাইরে দাঁড়িয়েছিল ওর মা। পরে ড্রাইভারের সঙ্গে সবাই মাস্ক পরে বাড়ি চলে আসে। বিমানবন্দরে কোনও জ্বর ছিল না তার। উপসর্গ না থাকায় কখনই ছেলেকে হোম কোয়রান্টিনে থাকতে বলা হয়নি। বরং অক্সফোর্ডে এরকম কয়েকটা কেস দেকে দেশ নামার পর থেকেই সতর্ক ছিল সে। বাড়িতে থেকেও নিজেকে আলাদা করে রেখেছিল। 

এই বয়ানের বিষয়ে তদন্ত করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা। এরটি বাংলা দৈনিকে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।