শীতের মরসুমে প্রতিবারের মতই চিড়িয়াখানায় দর্শকের সংখ্যাও প্রচুর  যেখানে প্রধানত পশু-পাখি ও গবাদি পশুর থেকেই ছড়ায় করোনা ভাইরাস   এদিকে চিড়িয়াখানায় দর্শকের তালিকায় দেশী-বিদেশি নাগরিকেরাও রয়েছেন   তাই মেডিক্যাল ব্যবস্থা বা স্ক্যান করানোর ব্যবস্থা রাখার কথাও ভাবছে কর্তৃপক্ষ 

 শীতের মরসুমে প্রতিবারের মতই চিড়িয়াখানায় দর্শকের সংখ্যাও প্রচুর। এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে পড়েছে চীন। তার পাশাপাশি পৃথিবীর ২৫ দেশের মধ্য়ে ভারতও সেই তালিকায় আছে। যেখানে প্রধানত পশু থেকেই ছড়ায় এই করোনা ভাইরাস। তাই পশু-পাখি ও গবাদি পশুর সংস্পর্শে থাকা মানুষদের মধ্যে করোনা ভাইরাসের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে। পশুর লোম, মল থেকেই এই ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। একদিকে যেমন পশুর দেহ থেকে এই ভাইরাস মানুষের দেহে আসতে পারে অপরদিকে, মানুষের দেহ থেকেও পশুর দেহে যেতে পারে এই ভাইরাস। তাই এই অবস্থায় ভাইরাসের হাত থেকে পশুপাখিদের সুরক্ষিত রাখতে সতর্ক হল কলকাতা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, রাজ্যে শীতের নতুন ইনিংস, ফের স্বাভাবিকের নীচে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা


সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে চিড়িয়াখানায় দর্শকের তালিকায় দেশী এবং বিদেশি নাগরিকেরাও রয়েছেন। চিড়িয়াখানার টানেই তারা বিদেশ থেকেও ছুটে আসেন। এদিকে চিনে করোনা ভাইরাসে আক্রন্তের সংখ্য়া ৪০,০০০ উপর এবং মৃতের সংখ্য়া প্রায় ৯০০ ছাড়িয়েছে। ভারতেও তার প্রভাব পড়েছে। এই অবস্থায় চিড়িয়াখানার পশুপাখিদের রক্ষার্থে এবার বিশেষ করে বিদেশি নাগরিকদের ওপর নজর রাখছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সেজন্য় কোনও বিদেশী নাগরিক বা চিনা নাগরিক চিড়িয়াখানা দেখতে এলে তাদের ওপর খেয়াল রাখা হচ্ছে। তারা যখন প্রবেশ করছেন দেখে নেওয়া হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন। তাদের গতিবিধি খেয়ালে রাখছেন চিড়িয়াখানার দায়িত্বশীল কর্মীরা। অবশ্য় এখনও সেখানে কোনও মেডিক্যাল ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। তবে মেডিক্যাল ব্যবস্থা বা স্ক্যান করানোর ব্যবস্থা রাখার কথাও ভাবছে কর্তৃপক্ষ। 

আরও পড়ুন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলে সিএএ প্রতিবাদ, দুই যুবককে দেখে মারমুখী গেরুয়া ব্রিগেড

সূত্রের খবর, বাঘ,সিংহ,হাতি, কুমির, এদের সবাইকে একই ছাদের তলায় রাখা হয়েছে। যেহেতু করোনা ভাইরাস খুব দ্রুত ছড়াতে শুরু করে তাই সেই আশঙ্কাতেই পশু-পাখির ওপরেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। অপরদিকে এই শীতকালেই চিড়িয়াখানার ঝিলে অসংখ্য় পরিযায়ী পাখি আসে। যেহেতু পৃথিবীর অনেকগুলি দেশই ইতিমধ্য়েই করোনা ভাইরাসে প্রভাবিত, তাই দূর দেশ থেকে উড়ে আসা পরিযায়ী পাখিদের থেকেও এই ভাইরাস ছড়ানোর একটা সম্ভাবনা থেকে যায়। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে এই বিষয়গুলিতে যথেষ্ট পরিমানে সতর্ক কলকাতা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। তাই আগামিদিনে স্ক্যানিং মেশিন বসানোর চিন্তভাবনাও রয়েছে।