একেবারে নজিরবিহীন  আক্রমণ। পুরীর মন্দিরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের পুজো দেওয়া নিয়ে মুখ্য়মন্ত্রীকে খোঁচা দিলেন সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। বাম নেতার দাবি, জগন্নাথ দেবের কাছে আসলে দেশবাসীর শান্তির কামনায় নয়,অমিত শাহের জন্য পুজো দিতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।  

নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই এই রাজ্যে চলছে নাড়া পোড়া, ফিরছে দিল্লি দূষণের ভয়াবহ স্মৃতি

১ মার্চ  কলকাতায় আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শহিদ মিনারে সিএএ-র সমর্থনে সভা করবেন তিনি। অন্যান্য বারের বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির সভা নিয়ে আপত্তি করেনি কলকাতা পুলিশ। শহিদ মিনার  ইস্টার্ন কমান্ডের আওতায় পড়ায় পাওয়া গিয়েছে আর্মির  ছাড়পত্র। কিন্তু শহিদ মিনারে অমিত শাহের এই সংবর্ধনা সভা নিয়েই আপত্তি তুলেছে বামেরা। 

বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীর  প্রশ্ন,দেশজুড়ে সিএএ-র প্রবল বিরোধিতা চলছে, তখন  কী করে শাহের সংবর্ধনা-সভার অনুমোদন দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুজনবাবুর দাবি, এই ঘটনাই প্রমাণ করে মোদী-দিদি যোগসাজশ রয়েছে। সেকারণেই এরকম একটা পরিস্থিতিতে শাহকে শহিদ মিনারে সভা করার অনুমতি দেওয়া হল। মমতাকে খোঁচা দিয়ে এই বাম নেতা বলেন,দেশবাসীর শান্তি কামনায় নয়, অমিত শাহকে পুজো দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মোদী ভালো ইভেন্ট ম্যানেজার, দিলীপের বক্তব্য়ে অস্বস্তিতে বিজেপি

বর্তমানে ওড়িশায় রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় বৈঠকে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোনা যাচ্ছে,ইস্টার্ন রিজিওনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক ছাড়াও অমিত  শাহের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করতে পারেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। মঙ্গলবার মুখ্য়মন্ত্রী  ভূবনেশ্বরে রওয়ানা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে এমন জল্পনা। মনে করা হচ্ছে , নাগরিকত্ব ইস্য়ুতে রাজ্য়ের পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। সেখানে তাঁর মূল হাতিয়ার হবে দিল্লির হিংসা প্রসঙ্গ।  

হজে নিয়ে যাওয়ার নামে লক্ষ টাকার প্রতারণা, অভিযোগ ভ্রমণ সংস্থার বিরুদ্ধে ৬০ জনের  

শুক্রবার এমনিতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিত থাকছেন মমতা৷ ভুবনেশ্বরের একটি পাঁচতারা হোটেলে হতে চলেছে পূর্বের রাজ্য়গুলি নিয়ে নিরাপত্তা বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পৌরহিত্যে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ৫টি রাজ্য বাংলা, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ও ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবরা। মূলত,প্রতিবেশী  রাজ্য়ের সঙ্গে বর্ডারের পরিস্থিতি নিয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর। এমনকী অনুপ্রবেশ রুখতে রাজ্য় সরকার কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বৈঠকে।