৫ অগস্ট রাম মন্দিরের ভূমি উপলক্ষ্য়ে ছুটি চাই  ছুটি ঘোষণা করার দাবি করলেন দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য়ে বার্তা

৫ অগস্ট রাম মন্দিরের ভূমি উপলক্ষ্য়ে দেশজুড়ে ছুটি ঘোষণা করা হোক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য়ে এমনই বার্তা দিলেন বিজপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত যা ভারতবাসী স্মরণ করে রাখবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাতে ঘাসফুল-মনে পদ্মফুল, দলের 'গদ্দারদের' নিয়ে চিন্তায় তৃণমূল

এদিন অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো উপলক্ষ্য়ে মর্নিং ওয়াক সেরেই নিউটাউনের রাম মন্দিরে যান দিলীপবাবু। সেখানে রামচন্দ্রের পুজো দেন। গতকালও ৫অগস্ট মমতার সরকার লকডাউন রাখায় তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন রাজ্য় বিজেপির কান্ডারি। যদিও এদিন সেই পথে হাঁটেননি দিলীপবাবু। উল্টে তিনি বলেন, লকডাউন ঘোষণা করে একপ্রকার ভালোই করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। লকডউনের ফলে ঘরে ছুটির আমেজে অযোধ্যার ভূমি পুজো সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পারবেন সবাই। 

শেষপর্যন্ত করোনাকে বিয়ে, সামাজিক বার্তা দিলেন বারাসতের কালী রুদ্র

তবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তার দাবি, প্রতি বছর ৫ অগস্ট রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ছুটি হিসেবে গণ্য করা হোক। গতকালই অযোধ্য়ায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর দিন লকডাউন জারি রাখায় মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার এক চা চক্রে বিজেপির রাজ্য় সভাপতি বলেন, চোরেরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রামের ভক্তি ও শক্তিতে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন ঘটবে।

 পলতা নেতাজি সংঘের মাঠে এক চা চক্রের আসরে যোগ দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ অর্জুন সিং ছাড়াও বিধায়ক সুনীল সিং । দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিশাহীন রাজনীতি করছেন। ফলে লকডাউন তিনবার পরিবর্তন করেছেন। তাই রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন বাধা ঘটাতে চাইছে। আজ হোক আর কাল হোক, সমাজ তার প্রতিবাদ করবেই।

বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বে ঘটছে বড় বদল, দিলীপ-এর পরিবর্তে আরএসএস বেছে নিল তিন প্রার্থী, জানুন বিশদে

এই বলেই থেমে থাকেননি রাজ্য় বিজেপির কান্ডারি। দিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা অনুরোধ করেছিলাম ৫তারিখ লকডাউন রাখবেন না। কিন্তু চোরেরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রামের ভক্তি ও শক্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পরিবর্তন ঘটবে।রাম ভক্তরা ও বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় নামবে না। তারা বাড়িতে বসেই রামের পুজো করবেন, মন্দিরে গিয়ে পূজা দেবেন প্রদীপ জ্বালাবেন।