বাজারে ঢোকার  মুখে দেওয়া হচ্ছিল স্যানিটাইজার। রাজ্য়ের বহু বাজারে ক্রেতারা ঢুকতে গেলেই হাতে স্যানিটাইজার দিচ্ছিল বাজার কর্তৃপক্ষ। এবার আর শুধু হাত নয়, বাজারে ঢুকতে স্যানিটাইজার গেট বসাল কলকাতা পুরসভা।

৫০০ টাকা করে ঢুকছে অ্যাকাউন্টে, মোদীকে নমস্তে জানালো কলকাতা...

কলকাতার হগ মার্কেটে বসানো হয়েছে এই স্যানিটাইজেশন গেট। বাজারে ঢোকার মুখে গোটা শরীর স্যানিটাইজ করা হবে। পরীক্ষামূলক ভাবে হগ মার্কেটের ১ নম্বর গেটের সামনেই এই স্যানিটাইজিং গেট বসানো হয়েছে। কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে,নিউ মার্কেটের মতো একটি ব্যস্ত বাজারে এমনিতেই ভিড় বেশ থাকে। সেক্ষেত্রে এখানে জীবাণু দূরীকরণ ঠিকভাবে না হলে বিপদ হতে পারে। সেকারণে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই স্য়ানিটাইজেশেন গেট বসানোর  দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এফ. হার্লে কোম্পানির হার্লে সানিকুল শাখাকে।

রাজ্য়ে করোনা হট স্পট কোনগুলো, সন্ধান দেবে 'সন্ধানে অ্যাপ'.

তবে তীব্র রাসায়নিক মানুষের শরীরে ক্ষতি করবে কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে চিন্তা। যা নিয়ে মুখ খুলেছেন কোম্পানির প্রতিনিধি অপূর্ব কক্কর। তিনি বলেন,এই যন্ত্রটি অন্যান্য যন্ত্রের থেকে পৃথক। এতে সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড ব্য়বহার করা হবে না। সেটি মানুষের শরীরে জীবাণু নাশ করতে গিয়ে ক্ষতি করতে পারে। তাই  এক্ষেত্রে হাইড্রোজেন পারক্সাইডের লঘু দ্রবণ ব্য়বহার করা হবে গেটে।

মমতার কথায় ৮৩, কেন্দ্র বলছে রাজ্য়ে আক্রান্ত ১০৩.

কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই স্যানিটাইজেশন গেট। কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে,গেটে ঢুকতেই কিছু পাইপের মধ্য়ে দিতে যেতে হবে ব্য়ক্তিকে। গেটের দেওয়ালে এই পাইপগুলি বসানো থাকেব। সেখানে পাইপে একাদিক ফুটো থাকবে। যা থেকে শাওয়ারের মতো রাসায়নিক  বেরোবে। কিন্তু এই রাসায়নিক স্প্রে-র আকারে দেওয়া হবে মানুষের শরীরে।

কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে,এই যন্ত্রটি মানুষের শরীরে তেমন ক্ষতি করবে না। কেউ গেট থেকে ঢুকলেই সেন্স করবে যন্ত্র। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যাবে স্যানিটাইজেশন পদ্ধতি।  জানা গিয়েছে, হগ মার্কেটের পর পুরসভার আরও  ৭১টি মার্কেটে বসানো হবে এই গেট।