সেন্ট জেভিয়ার্স বিকিনিকাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন  ভাইস চ্যান্সেলর ফাদার ফেলিক্স রাজ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাশাপাশি বলেছেন এটি একটি অপমানজনক ঘটনা।

সেন্ট জেভিয়ার্স বিকিনিকাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন ভাইস চ্যান্সেলর ফাদার ফেলিক্স রাজ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাশাপাশি বলেছেন এটি একটি অপমানজনক ঘটনা। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা যাতে ক্ষুন্ন না হয় তারজন্য রাজ্যের মানুষের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সম্প্রতি এক ছাত্র নিজের মোবাইলে অধ্যাপিকার বিকিনি পরা ছবি বারবার দেখেছিল। আর সেই কারণেই নাকি অধ্যাপিকাকে জোর করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরব হয়েছেন প্রাক্তন অধ্যাপিকা। নেটিজেনদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা করেছেন। এদিন সেই ইস্যুতে সরব হয়েছেন ভাইস চ্যান্সেলর। তেমনই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। 

একটি বিবৃতিতে দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় "তার শিক্ষক, কর্মচারী সদস্য, ছাত্র এবং এর সাথে যুক্ত অন্যদের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা ও বজায় রাখার ওপর জোর দেয়"। তিনি আরও বলেছেন, প্রতিষ্ঠানটি তাঁর সঙ্গে যুক্ত সকলের গোপনীয়তাকে সম্মান করে। 

উপাচার্য রীতিমত দৃঢ়়তার সঙ্গে বলেছেন, 'কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় কোনো শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেনি। এবং এটি সবচেয়ে অপমানজনক যে এমনকি অনুমান করা যে সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা যে কোনো শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করবে'। সেই সময়ই তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যায়ের মত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে আহ্বান জানান। 
'

তিনি বলেছিলেন যে সেন্ট জেভিয়ার্স "সর্বদা উদার মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়িয়েছে এবং এর অনুষদ, ছাত্র এবং কর্মচারীদের উপর কখনই কোন নৈতিক আচরণবিধি চাপিয়ে দেয়নি"।


৩১ বছর বয়সী পিএইচডি হোল্ডার, ২০২১ সালের আগস্টে রাজারহাটে বেসরকারীভাবে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন, তিনি পিটিআইকে বলেছিলেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা কমিটির দ্বারা ইনস্টাগ্রামে তার "অনুপযুক্ত" ছবি শেয়ার করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। মহিলা অনুষদ সদস্য, ভিসি এবং রেজিস্ট্রার অন্যান্যদের মধ্যে। মহিলা আরও বলেছেন যে কমিটি, গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাকে বলেছিল যে এই ধরনের ছবিগুলি পুরুষ ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকদের একটি অংশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এই বিষয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা শিক্ষক অভিযোগ করেছেন যে তার কিছু ইনস্টাগ্রাম ছবির প্রিন্টআউট দেখানোর পরে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং বলেছিলেন যে স্নাতক ছাত্রদের একজনের বাবা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে নিয়েছিলেন তার ছেলেকে দেখে কর্তৃপক্ষ ছবিগুলোর দিকে "তাকাচ্ছে"।