নিজের বাড়িতে সংজ্ঞাহীন হয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে পড়ে রইলেন এক বৃদ্ধা। কিন্তু তারপরও তাঁকে তুলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার লোক পাওয়া গেল না। এগিয়ে এলেন না আত্মীয় থেকে শুরু করে পাড়া প্রতিবেশীরাও। খবর পেয়েই দ্রুত আসে পুলিশ। কিন্তু ততক্ষেণে সব শেষ। পুলিশের দাবি, যখন তাঁরা খবর পান,ততক্ষণে নিথর হয়ে গিয়েছে বৃ্দ্ধার দেহ।

আরও পড়ুন, মৃত্যুর পরে রিপোর্ট এল কোভিড পজিটিভ, ১৭ ঘণ্টা বাড়িতেই পড়ে রইল বৃদ্ধের দেহ

জানা গিয়েছে,  বিনা চিকিৎসায় ঘরের মেঝেতে পড়ে মৃত্যু হয় ওই ৭০ বছরের বৃদ্ধার। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার করে। পাড়ার বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, বৃদ্ধা করোনাতে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন এই আতঙ্কেই কেউ তাঁকে উদ্ধার করতে যাননি।রবিবার এমন ঘটনাই ঘটেছে উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর থানা এলাকার বৃন্দাবন পাল লেনে। বাড়ির একতলায় ভাড়া থাকতেন বৃদ্ধা ছায়া চট্টোপাধ্যায়। একাই থাকতেন ওই বৃদ্ধা। স্বামী অনুপ চট্টোপাধ্যায় অনেক বছর আগে মারা গিয়েছেন। ওই একই বাড়িতে থাকেন ছায়ার দেওর অমিত চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনার খবর পাড়ার বাসিন্দারাই থানায় খবর দেন বলে দাবি করেছেন। 

আরও পড়ুন, সাতসকালেই দুর্ঘটনা, যশোর রোডে উল্টে গেল যাত্রী ভর্তি বাস

অপরদিকে,  এত কিছুর মধ্যে কেউ নিজেরা বৃদ্ধাকে উদ্ধার করতে এগোননি। পুলিশের দাবি, যখন তাঁরা খবর পান,ততক্ষণে নিথর হয়ে গিয়েছে বৃ্দ্ধার দেহ। পুলিশ বৃদ্ধাকে নিয়ে যায় আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, অনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার। গোটা ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করার পর পুলিশের দাবি, সময় মতো চিকিৎসা করা গেলে হয়তো প্রাণ বাঁচানো যেত বৃদ্ধার। কিন্তু করোনার ভয়ে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ থেকে শুরু করে তাঁর আত্মীয়রা সেই চেষ্টা করেননি। কার্যত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হল বৃদ্ধার।
 

 

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা

   পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক-কলকাতা মেডিকেল, করোনা রুখতে প্রস্তুতি তুঙ্গে

  মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের