একদিকে ডিসেম্বর মাস শেষের দিকে, তার উপর বড়দিন আর নতুন বছরের অপেক্ষা। তার সঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়ায় চড়ুইভাতির অপেক্ষায় সব বাঙালি। অপরদিকে বিয়ের মরশুমও বটে। আর এই উৎসবের মরসুমে বাজার অগ্নিমূল্য়। আলু-পেঁয়াজের দাম বাজারে এতটাই বেশি যে, প্রত্য়েকেই চিন্তায়।

আরও পড়ুন, রোজ ভ্যালি কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষীর অস্বাভাবিক মৃত্যু, ছিলেন গৌতম কুণ্ডুর ঘনিষ্ঠ

রাজ্য়ে পাঞ্জাব থেকে আলুর জোগান নেই। যার জন্য় বাজারে আলুর দাম আকাশ ছোঁওয়া। একদিকে যেমন আলু ছাড়া বাঙালির কোনও খাবারই করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে শীতের সময় ঝুরঝুরে আলু ভাজা ছাড়া বাঙালির খাওয়া সম্পূর্ণ হয় নাষ এছাড়াও মাংস হোক কিংবা মাছের ঝোল , আলু তো লাগবেই। তাই পাঞ্জাবের আলু না পেয়ে স্বভাবতই অসুবিধায় কলকাতা সহ রাজ্য়ের সবজি বাজারগুলি।   

আরও পড়ুন, বর্ষ শেষে জানান দিল শীত, কলকাতার তাপমাত্রা এখনও স্বাভাবিকের নিচে

 পেঁয়াজের দাম কমার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই । কারন পেঁয়াজের জোগান সেভাবে নেই। তবে আশার আলো বলতে, ডিসেম্বরের শুরুতেই নাসিকের পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি পেঁয়াজের দাম ছিল ৮৫ টাকা। কিন্তু অনেক হাত ঘুরে শেষ অবধি শহরের বাজারে বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। নাসিকের বাজারে আজ পেঁয়াজের দাম ৬০ টাকায় নেমে এসেছে। সেখানকার পেঁয়াজ এ রাজ্যে ঢুকলে, তাহলে তা ৭০ বা ৭৫ টাকায় বিক্রি করার একটা সম্ভাবনা ছিল। অপরদিকে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী,  যদি কর্নাটক ও রাজস্থান থেকে আড়াই লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানি করারও একটা সম্ভবনা তৈরি হয়েছিল। তাহলে সেই দাম আরও কমে আসবে।  তাই বাইরে থেকে আমদানি ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।