শহর কলকাতায় বুধবার সারাদিনই আকাশ মেঘলা থাকবে। আজও কলকাতায় সূর্যোদয় মেঘের আডা়লেই হয়েছে। তবে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় অস্বস্তি বজায় থাকবে। আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। আগামী ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টির  সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গেও। 

 

 

আরও পড়ুন, রিপোর্ট 'নেগেটিভ' -পাঠানো হল বাড়ি, ভূল থাকায় ফের ডাক, বাঙ্গুর হাসপাতালে মৃত্যু করোনা আক্রান্তের


আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। শহরের বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৩ শতাংশ। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ন্যূনতম ৬৮ শতাংশ। সোমবার এই মুহূর্তে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১.২ মিলিমিটার। মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা থেকে বৃষ্টি হয়েছে ১.০ মিলিমিটার। এদিকে বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা একধাক্কায় অনেকটাই নেমেছে। বুধবার রাতের দিকে ঝড় বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সারাদিন বৃষ্টির পরিমাণ ফের বাড়বে।

আরও পড়ুন, হাওড়ার পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের,রাতেই শুরু ধরপাকড়

জোড়া ঘূর্ণবর্রতের প্রভাব রাজ্যে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে ছত্রিশগড়ে।  ঘূর্ণাবর্তের টানে প্রচুর জলীয়বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবেই  বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য ঝড়-বৃষ্টির দক্ষিণবঙ্গের দু-একটি জায়গায়। বৃহস্পতিবার  উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির  সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা । বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে অন্যান্য জেলাগুলিতেও।শুক্রবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি কমবে উত্তরবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার অর্থাৎ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে শনিবার পর্যন্ত। গভীর সমুদ্রে যে মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে গেছেন তাদের জন্য সতর্কবার্তা। বুধবার রাতের মধ্যেই ফিরতে নির্দেশ করে দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দপ্তরের। আগামীকাল ৩০ শে এপ্রিল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর আন্দামান সাগরে অনির্দিষ্টকালের জন্য মৎস্যজীবীদের প্রবেশ নিষেধ।

আরও পড়ুন, রাজ্য়ে মৃত বেড়ে ২২, বাংলায় করোনা আক্রান্ত ৫২২

অপরদিকে, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মাঝে মালাক্কা প্রণালীতে ঘূর্ণাবর্ত। এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ উত্তর উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ঢুকবে। সেখানে নিম্নচাপে পরিণত হবে ঘূর্ণাবর্ত টি। শনিবারের মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এবং প্রথমে উত্তর উত্তর-পশ্চিম এবং পরে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হবে। অতি গভীর নিম্নচাপ রূপে এটি শক্তি বাড়িয়ে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবেশ করবে মায়ানমার উপকূলে।সরাসরি এর প্রভাব না পড়লেও শুক্রবার থেকে এর প্রভাবে জলীয়বাষ্প ঢুকে বৃষ্টি বাড়াবে দক্ষিণবঙ্গে।

 

 

 

চিন থেকে সোজা কলকাতা বিমানবন্দরে, ১০ টন করোনা-চিকিৎসার সামগ্রী নিয়ে শহরে নামল উড়ান

স্ক্রিন ছুঁয়েই প্রিয় জনের অনুভূতি, করোনা রুখতে শহরের হাসপাতালে চালু 'ভারচুয়াল ভিজিটিং আওয়ার্স'

বাবুলের কথা এবার চিকিৎসক সংগঠনের মুখে,করোনায় মৃত্যু স্বাস্থ্য়কর্তার -স্বীকার করুক রাজ্য

এবার বেসরকারিতেও করোনা চিকিৎসায় মিলবে বিনামূল্য়ের পরিষেবা, হাসপাতালের খরচও দেবে রাজ্য সরকার