ঘুম বা নিদ্রা হচ্ছে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর দৈনন্দিন কাজের মধ্যে বিশ্রাম নেওয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই পর্যায়ে মানব শরীরের সচেতন ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া স্তিমিত থাকে। নিষ্ক্রিয় জাগ্রত অবস্থার সঙ্গে ঘুমন্ত অবস্থার পার্থক্য হল এ সময় উত্তেজনায় সাড়া দেবার ক্ষমতা হ্রাস পায়। সকল স্তন্যপায়ী ও পাখি এবং বহু সরীসৃপ, উভচর এবং মাছের মধ্যে ঘুমানোর প্রক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। এত গেল ঘুমের কথা। তবে জানেন কি ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও ওজন কমানো সম্ভব। আর এই ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ওজন কমাতে হলে প্রয়োজন গভীর ঘুমের। একজন মানুষ গভীর ঘুম হলে ১০ মিনিটে ১০ ক্যালেরি বার্ন হয়। তবে আজ থেকেই চেষ্টা করুন গভীরভাবে ঘুমানোর। জেনে নিন গভীর ভাবে ঘুমিয়ে ওজন কমানোর সহজ উপায়গুলি।

আরও পড়ুন- ছুটির দিনের পাত জমে উঠুক, অন্য স্বাদের মটনের পদ দিয়ে

শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব হলে সেই ব্যক্তি ইনসমনিয়ায় ভুগে থাকেন। শরীরে পটাশিয়ামের অভাব হলে বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সেই রকমই ভিটামিন ডি-এর অভাবে সারাদিন ঝিমুনি লাগে। তাই সুস্থ শরীর ও গভীর ঘুমে ওজন ঝরানোর জন্য জরুরি সূর্যের আলো। ট্যানের ভয় কাটিয়ে গায়ে সূর্যের তাপ নিন। এমনকী  শোওয়ার ঘরও এমন ভাবে রাখুন যাতে সকালে সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছয়। সকালের ১৫ মিনিট সূর্যের আলো আপনার সিস্টেমকে ভাল করতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন- এই খাবারগুলি কখনোই একসঙ্গে নয়, হতে পারে মারাত্মক বিপদ

যদি গভীর ঘুমোতে চান তবে সন্ধের পর মদ্যপান বন্ধ করুন। অনেকেই ভাবেন অ্যালকোহল ঘুমোতে সাহায্য করে। ধারনাটি একে বারেই ভুল, এতে ডিহাইড্রেশন হয়। যার ফলে বার বার রাতে ঘুম ভেঙে যায়। মদ্যপান ছাড়াও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অনেকেই স্মার্টফোনে ব্যস্ত থেকে, টিভি দেখে বা ল্যাপটপে কাজ করে শুতে যান। রোগা হতে চাইলে এই অভ্যাস ছাড়ুন। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। ওজন কমাতে অনেকেই বেশি কফি খান। তবে বিকেলের পর থেকে কফি এড়িয়ে চলুন। কফিতে থাকা ক্যাফেনাইনের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। যদি কফি খেতে হয় তাহলে দিনের বেলা খান। এর পাশাপাশি ঘুমনোর সময় ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখুন। আলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় তাই ঘর অন্ধকার থাকলে ঘুম গভীর হবে।