পুজোয় অষ্টমী হোক বা অন্যান্য নিরামিষের দিনে দুপুরবেলার ভুরি ভোজে গরম গরম পাতে দিন পোস্ত পাতুরি। পোস্ত, নারকেল বাটা ও মশলার মিশ্রণ কলাপাতায় মুড়ে সহজেই তৈরি করা যায় এই দুর্দান্ত স্বাদের পদটি। এই প্রতিবেদনে রইল পোস্ত পাতুরি বানানোর সহজ প্রণালী।

বাঙালির দুর্গাপুজোয় কবজি ডুবিয়ে মাছ মাংস খেলেও এই একটা দিন অনেকেই নিরামিষ খান বাড়িতে। অনেকের আবার এদিন ভাত নয়, শুধুই লুচি-পরোটা খাওয়ার নিয়ম রয়েছে। অষ্টমী হোক বা নবনী পুজোর সময় কম বেশি অনেকেই নিরামিষ খান। অথবা পুজো বাদ দিলেও অনেকে শনিবার বা মঙ্গলবার হিসেবে নিরামিষ খেয়ে থাকেন। কিন্তু নিরামিষের দিন আসলে বাড়ির বড়দের মাথায় হাত পড়ে যায় কারণ সব রকম নিরামিষ রান্না তো আর সবাই খেতে পারেন না। আর নিরামিষ রান্না যদি একটু মুখরোচক করে বা স্বাদের না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে সেই রান্না বাড়ির লোকের মুখে রোচবে না।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নিরামিষ মানেই আলুর দম বা পনিরের কোনও রেসিপির কথাই সবার আগে মাথায় আসে। তবে এবার দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে দূরে সরিয়ে রাখুন চিরাচরিত নিরামিষ পদ। বাড়িতে কম সময়ে বানিয়ে ফেলুন পোস্ত পাতুরি । অন্যরকম রান্না, খেতেও হয় দুর্দান্ত। কীভাবে বানাবেন, রইল সহজ রেসিপি-

পোস্ত পাতুরি রেসিপি:-

* পোস্ত বাটা- ২-৩ টেবিল চামচ

* নারকেল বাটা- ২ টেবিল চামচ

* হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ

* লঙ্কা কুচি- ২ টি

* সর্ষের তেল- পরিমাণ মতো

* নুন- স্বাদ মতো

* কলাপাতা, সুতো

পোস্ত পাতুরি রেসিপির প্রণালী:

প্রথমে একটি বাটিতে পোস্ত বাটার সঙ্গে মেশাতে হবে নারকেল বাটা, লঙ্কা কুচি, হলুদ গুঁড়ো, স্বাদ মতো নুন আর সর্ষের তেল। সবটা ভালো করে মিশিয়ে নিন। অন্যদিকে কলাপাতা কেটে ধুয়ে হালকা আঁচে সেঁকে নিতে হবে।

কলাপাতার একদিকে তেল লাগিয়ে তার উপরে পোস্তর মিশ্রণ দিতে হবে। তার উপরে সর্ষের তেল আর একটি চেরা কাঁচালঙ্কা দিয়ে পাতুরির আকারে ভাঁজ করে সুতো দিয়ে বাঁধতে হবে। প্যানে তেল গরম করে তাতে পাতুরিগুলি দিয়ে মাঝারি আঁচে মিনিট দশেক ওলটপালট করে রান্না করলেই তৈরি জিভে জল আনা পোস্ত পাতুরি। এবার এইটি নিরামিষ গরম গরম ভাতে পরিবেন করুন।