kitchen Tips: হেঁশেলের আনাজ, মশলা ও চাল-ডালকে দীর্ঘ সময় সুরক্ষিত রাখার জন্য নানা ঘরোয়া কৌশল প্রয়োগ করতে পারেন। চাল, ডাল, আটা, ময়দা ও সুজি সংরক্ষণের কিছু প্রাকৃতিক উপায় দেওয়া হল এখানে।

kitchen Tips: মরসুম বদলের সময় চাল, ডাল, আটা ও সুজিতে পোকা ধরা বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। হেঁশেলের এই সব দ্রব্য সুরক্ষিত রাখার জন্য নানা ঘরোয়া কৌশল প্রয়োগ করা যায়। চাল, ডাল, আটা, ময়দা ও সুজি সংরক্ষণের কিছু প্রাকৃতিক উপায় দেওয়া হল এখানে।

হেঁশেলের এই সব শুকনো খাবার দীর্ঘদিন ভালো রাখতে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, নিম পাতা,লবঙ্গ,দেশলাইকাঠি ও সরিষার তেল—এই ৫টি উপাদান অব্যর্থ। এগুলি পোকা তাড়াতে ও খাবার সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

খাদ্যশস্য দীর্ঘস্থায়ী করার কয়েকটি উপাদান ও ব্যবহার:

* তেজপাতা: চাল বা ডালের পাত্রে কয়েকটি তেজপাতা দিয়ে রাখলে তার গন্ধ পোকাকে দূরে রাখে ।

* শুকনো লঙ্কা: আটা বা ময়দার কৌটোতে ২-৩টি বোঁটা সমেত শুকনো লঙ্কা রেখে দিলে পোকা ও সুড়সুড়ি পোকা ধরার ভয় থাকে না ।

* নিম পাতা: শুকনো নিম পাতা ডালের পাত্রে ছড়িয়ে রাখলে পোকার উপদ্রব কমে যায়।

* দেশলাই কাঠি ডালের ভিতর গুঁজে দেন অনেকে। তাতে ডালের মেয়াদ বৃদ্ধি পায়। তার মুল কারণ, দেশলাইয়ের কাঠির মাথায় যে সালফার থাকে, তার গন্ধে দূরে থাকে পোকামাকড়। এই টোটকা নিজের হেঁশেলে প্রয়োগ করে দেখতে পারেন।

* লবঙ্গ: সুজি বা ময়দার কৌটোতে কয়েকটি লবঙ্গ ছড়িয়ে রাখলে গন্ধের কারণে পোকা আসে না, যা দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণ করতে সাহায্য করেন।

* কয়েক ফোঁটা সর্ষের তেলও এক ভাবে কার্যকরী। ডালের কৌটোর ভিতরে অল্প সর্ষের তেল ঢেলে দিলে সেই ঝাঁজ সুরক্ষাকবচ হয়ে থাকে। পোকামাকড় থেকে ছত্রাক সংক্রমণ, সবের ক্ষেত্রেই এই টোটকা কার্যকরী। কারণ, সর্ষের তেলের ঝাঁজ সহ্য করতে পারে না পোকা। এর অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণও বড় ভূমিকা পালন করে।

সংরক্ষণের টিপস:খাবার সংরক্ষণের পাত্র অবশ্যই পরিষ্কার ও শুকনো হতে হবে। বায়ুরোধী কৌটো ব্যবহার করা সবথেকে ভালো, যা বাতাসের আর্দ্রতা থেকে খাদ্যশস্যকে রক্ষা করে।