ওজন কমানোর জন্য অনেকেই কিটো ডায়েট করেন। এই ডায়েটে কার্বস কম থাকে এবং ফ্যাট বেশি থাকে। কিটো ডায়েট করার সময় কিছু ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি। কিটো ডায়েট করে কেউ কেউ সুফল পান। আবার কারও একদমই সহ্য হয় না কিটো ডায়েট। তার কারণ এই ডায়েট সকলের জন্য নয়।

পুজোর আগে ওজন ঝরাতে অনেকেই কিটো ডায়েটের সাহায্য নেন। এই ডায়েটে কার্বস একেবারেই থাকে না। বরং ফ্যাট জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন কমাতে হয়। এর জেরে শরীরে কিটোসিস শুরু হয় এবং কার্বোহাইড্রেটের বদলে ফ্যাট গলতে শুরু করে। তাই হুড়মুড়িয়ে ওজনও কমে। কিটো ডায়েট করে কেউ কেউ সুফল পান। আবার কারও একদমই সহ্য হয় না কিটো ডায়েট। তার কারণ এই ডায়েট সকলের জন্য নয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ওজন কমানোর জন্য কিটো ডায়েট

পুষ্টিবিদদের মতে ওজন বেশি থাকলে যেমন খাবার মেপে খেতে হয় তেমনি শরীর চর্চা করতে হয়। আবার বিশেষজ্ঞদের মতে,আজকালকার দিনে মানুষ ওজন কমানোর জন্য কিটো ডায়েট করছে।চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়েই কিটো ডায়েট করা উচিত। আর যদি একান্ত কিটো ডায়েট করতেই হয়, তা হলে এই ৫ ভুল গুলো অবশ্যই এড়িয়ে চলুন।

এই ৫ ভুল অবশ্যই এড়িয়ে চলুন

১) প্রথমেই কার্বোহাইড্রেট বন্ধ করা চলবে না। ধীরে ধীরে পরিমাণ কমান। শরীরকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সময় টুকু দিন। রাতারাতি কার্বোহাইড্রেট খাওয়া বন্ধ করে দিলে শরীরে এর খারাপ প্রভাব পড়বে।

২) যে ডায়েটই করুন না কেন জল খেতে ভুলবেন না। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। কিটো ডায়েটেও পর্যাপ্ত জল ও তরল খাবার খেতে হয়।

৩) খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাতে গিয়ে শাকসব্জি খাওয়া বন্ধ করবেন না। সব্জিতেও কার্বোহাইড্রেট থাকে, কিন্তু তার পরিমাণ কম। শাকসব্জি খাওয়া বন্ধ করে দিলে শরীরে ফাইবার ঢুকবে না। তখন ওজন কমানো কঠিন হবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেবে।

৪) কিটো ডায়েট ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হয়। তার মানে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট নয়। বরং, এই ডায়েটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হয়। এ ক্ষেত্রে আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, ফ্ল্যাক্স সিডস, চিয়া সিডস খেতে পারেন।

৫) কিটো ডায়েটে শরীরে কম নুন প্রবেশ করে। কিন্তু দেহে সোডিয়াম

-পটাশিয়ামের ভারসাম্যও বজায় রাখা জরুরি। তাই পর্যাপ্ত মিনারেল পাওয়া যায়, এমন খাবারও খেতে হবে।