Health Tips: নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে ৩০০ গ্রামের বেশি চিকেন খেলে গ্যাস্ট্রো-ইন্টেস্টিনাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। তবে গবেষণার পদ্ধতি নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে।

Health Tips: সহজলভ্য, কম দামে প্রোটিনের সঠিক উৎস বলতে মুরগির মাংসের কথাই সবার আগে মাথায় আসে আমিষ ভোজীদের। আবার রেডমিট বা অন্য ধরনের মাংস সকলে খায় না আবার সেগুলোর দামও কিছুটা বেশি। শরীর চর্চা, ওয়েট বা মাসেল গেইন, অসুস্থ শরীর সুস্থ করতে রোগীদের পর্যন্ত খাওয়ানো হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে জানেন কি সপ্তাহে পরিমাপের বেশি চিকেন খাওয়া আপনার শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে? হ্যাঁ! এমনটাই বলছে 'নিউট্রিয়েন্টস' যার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্র। সপ্তাহে রোজ চিকেন খাওয়ার পরিমাণ ৩০০ গ্রাম বাটার বেশি হলে পেটের নানা রকম ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে মানবদেহে। এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত ও আরও গভীর গবেষণার দরকার ঠিকই, তবে বিষয়ের উল্লেখ চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসক মহলে।

গবেষণার বিশ্লেষণ

ইটালির স্যাভেরিও-ডি-বেলিস হাসপাতালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ গ্যাস্ট্রে-এন্টেরোলজির গবেষকরা প্রায় চার হাজার মানুষের উপর টানা ১৯ বছর ধরে গবেষণা চালিয়েছেন। গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সপ্তাহে ৩০০ গ্রামের বেশি চিকেন যাঁরা খান, তাদের সাপ্তাহিক ১০০ গ্রামের কম চিকেন খাওয়া ব্যক্তিদের তুলনায়ে গ্যাস্ট্রো-ইন্টেস্টিনাল (GI) ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা অন্তত ২৭ শতাংশ বেশি। আরও বলেছেন এই ঝুঁকি মহিলাদের চেয়ে পুরুষদের মধ্যে দ্বিগুণ।

বিশেষজ্ঞদের দ্বিমত

তবে এই গবেষণায় নানা মুনির নানা মত পাওয়া গেছে। গবেষকদের একাংশ এই বিষয়ে দ্বিমতও প্রকাশ করেছেন। তাঁরা বলেছেন, গবেষণায় অংশগ্রহণকারী সাক্ষাৎকারদের মধ্যে যারা GI ক্যান্সারের সমস্যায় ভুগছেন শুধু তাদের চিকেন খাওয়ার হিসেব নেওয়া হয়েছে, অথচ যাঁরা চিকেন খান, তাঁদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ের দিকে যাননি গবেষকরা। এতে অসুবিধে দুটো। এক, এই একতরফা পদ্ধতিতে শুধুমাত্র মুরগির মাংসই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। আর দ্বিতীয়ত, শুধু চিকেন খাওয়া ছাড়া অন্য কোনও কো-মর্বিডিটি কিংবা রিস্ক ফ্যাক্টরের ব্যাপারে গুরুত্বও দেননি ওই গবেষকরা।

সারাংশ নতুন সমীক্ষায় উঠে এসেছে চিকেনেও ক্যান্সারের ঝুঁকি! এক সপ্তাহে কেউ যদি ৩০০ গ্রাম বা তার বেশি পরিমাণ চিকেন খায়, তবে তার গ্যাসট্রোইনটেসটিনাল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।