বাড়ছে তাপমাত্রা আর পরিবর্তন হচ্ছে আবহাওয়া। তাই এই মরশুমেই বিশেষ যত্নের প্রয়োজন ত্বক ও চুলের। ক্রমশ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মরশুম বদলের সময়েই সুন্দর স্বাস্থ্যজ্জ্বল চুল পেতে শুধু তেল আর শ্যাম্পুই যথেষ্ট নয়। চুলের এই সময় প্রয়োজন বাড়তি যত্নের। দূষণময় পরিবেশে চুলের যত্ন নিতে সকলে ভরসা রাখেন পার্লারের উপর। তবে পার্লারের উপর ভরসা রাখলেও নজর দিতে হবে চুলের গোড়ায়। এই সময়েই স্ক্যাল্পে বাড়তে থাকে ইচিং, ড্রাইনেস।  মাথা চুলকানি বা ইচিং হওয়া মানেই উকুন জাতীয় সমস্যা নয়। স্ক্যাল্পে ইনফেকশন হলেও এটা হওয়া সম্ভব। এই মরশুমেই স্ক্যাল্পে হতে পারে ফাংগাল ইনফেকশনের মত সমস্যাও। তবে এই ধরণের সমস্যা অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পেলে প্রথমেই পরামর্শ নিন চিকিৎসকের। 

আরও পড়ুন- অষ্টম শ্রেণী পাশে রাজ্য সরকারের চাকরিতে একাধিক শূণ্যপদ, রইল বিস্তারিত

মাথার ইনফেকশন বা চুলকানি ঠেকাতে পাতিলেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন স্ক্যাল্পে। এর জন্য সপ্তাহে অন্তত তিনবার হেয়ার ওয়েলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে স্ক্যাল্পে মাখুন, ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর মাইল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এছাড়া স্ক্যাল্পে ইনফেকশন ঠেকাতে নারকেল তেলের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল একসঙ্গে মিশিয়ে ভালো করে মাস্যাজ করুন। এরপর চুল শ্যাম্পু করে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। স্ক্যাল্প ইনফেকশনের জন্য ব্যবহার করতে পারেন টি ট্রি ওয়েলও। এই এসেনশিয়াল ওয়েল অ্যান্টি ফাঙ্গাল, অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল ও অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যে হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করেন তাতে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি ওয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করে নিন। এই মাস্ক সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করে নিন।

আরও পড়ুন- এই খাবারগুলি থেকে বাড়তে পারে কিডনিতে স্টোনের সমস্যা, জেনে রাখুন সেই তালিকা

স্ক্যাল্প ইনফেকশন ঠেকাতে চুল ধোয়ার জন্য ব্যবহার করুন বেবি শ্যাম্পু। কারণ এই শ্যাম্পুতে ক্যামিক্যাল কম থাকে। চুল ধোয়ার জন্য কখনই গরম জল ব্যবহার করবেন না। সাধারন জল ব্যবহার করুন চুল ধোয়ার জন্য। এর পাশাপাশি পরিষ্কার রাখতে হবে ব্যবহারের বালিশ ও চিরুনি। পাশাপাশি নজর দিতে হবে ডায়েটেও।  খাদ্য তালিকায় বজায় রাখুন প্রোটিন ও ক্যালশিয়াম জাতীয় খাবার। প্রাথমিক এই বিষয়গুলি মেনে চললে শুষ্ক মরশুমে স্ক্যাল্প ইনফেকশন ঠেকাতে পারবেন সহজেই।