শীতকাল আসা মানেই চাই ত্বকের বাড়তি যত্ন। বছরের যে কোনও সময়ের থেকে শীতকালে ত্বকের সবথেকে বেশি পরিবর্তন দেখা যায়। শুধু ত্বকেরই নয় হাতেরও নানা সমস্যা দেখা যায় শীতকালে। যাদের হাতের ত্বক পাতলা তাদের এই সমস্যাটা আরও বেশি দেখা যায়। একটুতেই হাত ফাটা, কুঁচকে যাওয়া, ত্বক বির্বণ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতেই থাকে। যার ফলে হাত দেখতেও যেমন খারাপ লাগে তেমনই হাতেরও নানান সমস্যা দেখা যায়।  হাত দেখতে খারাপ লাগলেও পুরো সাজটাই যেন ফিকে হয়ে যায়। সেইজন্য হাতকে সুন্দর রাখতে প্রাথমিক কিছু যত্নের প্রয়োজন। শীতকালে হাতের যত্নে প্রাথমিক কিছু টিপস রইল আপনাদের জন্য।

আরও পড়ুন-ডায়াবেটিস থেকে কোলেস্টেরল, নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী ধনেপাতা...

হাতকে সুন্দর রাখার ঘরোয়া কয়েকটি টিপস

৩ টেবিল টামচ চালের গুঁড়ো, ২ চা-চামচ গ্লিসারিন , ডিমের কুসুম দিয়ে একটি স্ক্রাব বানিয়ে নিন। প্রত্যেকদিন স্নানের আগে এই স্ক্রাবটি ভাল করে হাতে লাগিয়ে নিন। 

মুসুর ডাল বাটার সঙ্গে ২ চামচ বেসন, ২ চামচ আপেল সিডার ভিনিগার, ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভাল করে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। স্নানের আগে সারা হাতে প্যাকটি লাগিয়ে আধঘন্টা রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

হাতের যত্নে কিছু ব্যায়ামও দরকার। হাতের আঙ্গুল সুন্দর করতে কিছু ব্যায়াম অবশ্যই করুন। একটি নরম বল হাতে নিয়ে একবার চেপে ধরবেন তারপর ছেড়ে দেবেন। এই ব্যায়াম করলে হাত যেমন সুন্দর থাকবে তেমনি  হাতের গঠনও সুন্দর হবে।

আরও পড়ুন-ত্বকে বয়সের ছাপ ও বলিরেখা এড়াতে, এই টোটকা কাজ করবে ম্যাজিকের মত...

রান্না করার সময় পাশে একটা তোয়ালে রেখে দিন। জল দিয়ে হাত ধোয়ার পর ভেজা হাত কখনওই রাখবেন না। তোয়ালে দিয়ে হাতটা মুছে নিন। 

শীতকালে হাতের কনুই অনেকসময় রুক্ষ হয়ে যায়। সেই রুক্ষ জায়গায় মুসুর ডালের বাটার সঙ্গে কয়েকফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে মেখে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

শীতে বাইরে বেরোনোর সময় ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না যেন।

যাদের হাতের চামড়া রুক্ষ তারা ক্ষারযুক্ত সাবান এড়িয়ে চলুন। নর্মাল সাবানের বদলে ময়েশ্চার বেসড সাবান লাগান। 

দীর্ঘদিন ধরে কাজ করতে করতে হাতের মধ্যে কালো দাগ পড়ে যায়, সেই জায়গাগুলিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে লাগান।

যাদের একটুতেই চামড়া ফাটার সম্ভাবনা থাকে তারা তিলের তেল লাগাতে পারেন।