Food Tips: সময় বাঁচাতে আমরা ফ্রিজ থেকে বের করেই খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করে খাই। কিন্তু জানেন কি, কিছু খাবার বারবার গরম করলে তার পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে বিষে পরিণত হয়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আলু, ডিম, চিকেনের মতো ৫টি খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে পেট খারাপ থেকে শুরু করে ফুড পয়জনিং, এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়ে।
Food Tips: অফিস থেকে ফিরে ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে মাইক্রোওয়েভে গরম করা - এটাই এখন আমাদের রোজকার অভ্যাস। কিন্তু এই অভ্যাসই আপনাকে ধীরে ধীরে অসুস্থ করে দিচ্ছে। কিছু খাবার আছে যা একবার রান্নার পর দ্বিতীয়বার গরম করলে তার রাসায়নিক গঠন বদলে যায় এবং তা শরীরের জন্য বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
১. আলু:
রান্না করা আলু ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হলে তাতে বোটুলিজম নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। ফ্রিজে রাখলেও এই ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি মরে না। আবার মাইক্রোওয়েভে গরম করলে গরমটা সব জায়গায় সমানভাবে পৌঁছায় না, ফলে ব্যাকটেরিয়া থেকেই যায়। এতে মারাত্মক ফুড পয়জনিং হতে পারে।
২. ডিম সেদ্ধ বা ডিমের তরকারি:
ডিম দ্বিতীয়বার গরম করলে তার প্রোটিন ভেঙে যায় এবং তা থেকে টক্সিন তৈরি হয়। মাইক্রোওয়েভে ডিম গরম করলে ভিতরে বাষ্প জমে হঠাৎ ফেটে যেতে পারে, যা খুব বিপজ্জনক। আর পেটের সমস্যা তো আছেই।
৩. চিকেন বা মুরগির মাংস:
চিকেনে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। রান্না করা চিকেন বারবার গরম করলে প্রোটিনের গঠন বদলে যায় এবং হজমের সমস্যা হয়। মাইক্রোওয়েভে চিকেন ভিতর থেকে ঠিকমতো গরম হয় না, ফলে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়।
৪. শাক-সবজি, বিশেষ করে পালং শাক:
পালং শাক, বিট, শালগমের মতো সবজিতে নাইট্রেট থাকে। একবার রান্নার পর ঠান্ডা করে আবার গরম করলে সেই নাইট্রেট নাইট্রাইটে পরিণত হয়, যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। এটি শিশুদের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক।
৫. ভাত:
সবচেয়ে অবাক করা তথ্য এটাই। রান্না করা ভাতে ব্যাসিলাস সেরিয়াস নামে ব্যাকটেরিয়া থাকে। ভাত ঠান্ডা হলে এই ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়ে। মাইক্রোওয়েভে গরম করলেও এর টক্সিন নষ্ট হয় না। তাই বাসি ভাত গরম করে খেলে বমি, ডায়রিয়া হতে পারে। ভাত রান্নার এক ঘণ্টার মধ্যে ফ্রিজে রাখুন এবং একবারের বেশি গরম করবেন না।
তাহলে উপায় কী?
চেষ্টা করুন টাটকা খাবার খেতে। যদি গরম করতেই হয়, তাহলে কড়াই বা গ্যাসে ভালো করে ফুটিয়ে গরম করুন, যাতে সব জায়গায় সমান তাপ পৌঁছায়। মাইক্রোওয়েভে গরম করলে মাঝে একবার নেড়ে দিন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


