পরিবারের খেয়াল রাখতে গিয়ে ,স্বামী সন্তান নিয়ে ঘর করতে করতে ,চাকরি করে ঘরে বাইরে সব সামলাতে গিয়ে নিজের কথাই ভুলে যাচ্ছেন নাতো! কীভাবে নিজের যত্ন নেবেন? জানুন বিশদে…

Self Care Tips: স্বামী সন্তান সংসার শশুর শাশুড়ি আবার চাকরি, সংসারে সমস্ত যাবতীয় প্রেসার সব সামলে ক্লান্ত হয়ে যান বাড়ির কর্তি। অর্থাভাব নেই। বছরে এক থেকে দু’বার বেড়াতে যাওয়া। সমাজমাধ্যম জুড়ে সুখী জীবনের ছবি। সবকিছু নিয়েই প্রতিনিয়ত ভেবে চলেছেন আপনি। কিন্তু দিনশেষে আপনি ক্লান্ত। বাইরে থেকে দেখে যে মানুষকে ভীষণ সুখী মনে হয়, তাঁরা অনেকেই হয় দিনের শেষে পাহাড়প্রমাণ বোঝা নিয়ে একলা দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু সবকিছু সামলাতে সামলাতে একাকী নির্জনে দাঁড়িয়ে কখনও কি মনের গভীরে ডুব দিয়েছেন? সকলের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রখছেন খুব ভালো কথা, কিন্তু নিজের শরীরের দরকার অদরকার কি তাকি বুঝেছেন? তা হলে বুঝতেন, শরীর এবং মন কোন সঙ্কেত দিচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আসুন এ বিষয়ে কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা যাক:

আপনার ছোটখাটো সামান্য কথাতেই রাগ হয়ে যায়, মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। পরমুহূর্তে হয়তো মনে হয়, এতটা বিরক্ত না হওয়াই উচিত ছিল। কিন্তু সেই মুহূর্তে নিজেকে আটকাতে পারেননি। হঠাৎ করে এরকম রেগে যাওয়া এবং নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু বলা বা কিছু করে ফেলা মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও কাজ করার সঙ্কেতও হতে পারে এই অকারণ বিরক্তি। আবার এটাও হতে পারে যে, শরীর এবং মন বিশ্রাম চায়।

সারাদিন খাটাখাটির পর রাতে ঘুমাতে যান কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেও ক্লান্তি কাটে না? এক দিন নয়, এটাই যদি নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, বুঝতে হবে, শরীর বিশ্রাম চায়। ক্লান্তির একাধিক কারণ থাকতে পারে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলেও এমন হয়। দৈনন্দিন কাজকর্ম থেকে দিন কয়েকের বিরতি নিয়ে নিন। ঘুম, বিশ্রাম নিয়ে দেখুন, পরিস্থতির বদল হচ্ছে কি না। এবার যদি কোনও কাজই ঠিক না হয়, ল্যাপটপে তাকিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছেন? একই কাজ করতে গিয়ে বার বার ভুল করছেন? মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়লে শরীর এমন সঙ্কেত দিতে পারে। কোনও চিন্তায় ডুবে গেলেও এমনটা হয়। নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার, সমস্যা ঠিক কোথায় আপনার?

হাড় ভাঙ্গা সারাদিন খাটনির পর যখন আচমকাই খিদে উধাও হয়ে যাচ্ছে। কিছু খেলেই অম্বল হচ্ছে। আবার দিনরাত খাই খাই করছেন? দুই সঙ্কেতই কিন্তু স্বাভাবিক নয়। অবসাদ, উদ্বেগ থেকে এমন লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এক-দু’দিন এমন কিছু হলে আলাদা। তবে যদি লম্বা সময় ধরে এমনটাই হয়, তা হলে শরীর এবং মনের খেয়াল রাখা দরকার।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।