Healthcare: উষ্ণ-আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামাচি, র‍্যাশ, চুলকানির সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। তবে চিন্তার কিছু নেই, সামান্য কিছু ঘরোয়া টোটকাতেই মোকাবিলা করতে পারবেন বিরক্তিকর ঘামাচির। তবে তার আগে জেনে নিন ঘামাচি কেন হয়।

Health News: গরমে ঘামাচি থেকে বাঁচতে শরীর ঠান্ডা রাখা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা, দিনে দু'বার স্নান করা এবং ঘাম জমতে না দেওয়াই মূল চাবিকাঠি। অ্যালোভেরা জেল, বরফ সেঁক, বা নিমপাতার ব্যবহার ত্বকের জ্বালা কমায় । পাউডার ব্যবহার না করে সুগন্ধিহীন সাবান এবং ঠান্ডা জল দিয়ে শরীর পরিষ্কার রাখলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।

ঘামাচি দূর করার বিস্তারিত ঘরোয়া উপায়:

  • বরফ বা ঠান্ডা সেঁক: একটি সুতির কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে বা ফ্রিজের ঠান্ডা জলে কাপড় ভিজিয়ে আক্রান্ত স্থানে ৫-১০ মিনিট সেঁক দিলে ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি কমে।
  • অ্যালোভেরা জেল: তাজা অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ঘামাচির ওপর লাগান। এটি ত্বক ঠান্ডা করে এবং চুলকানি কমায়
  • চন্দন ও গোলাপ জল: চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে লাগালে ত্বকে প্রশান্তি আসে ।
  • নিম পাতার ব্যবহার: নিমের অ্যান্টিসেপটিক গুণ ঘামাচির সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। নিম পাতা বেটে বা জলের সঙ্গে ফুটিয়ে স্নানের সময় জল মিশিয়ে স্নান করতে পারেন।
  • বেকিং সোডা: এক কাপ ঠান্ডা জলে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে, পরিষ্কার কাপড় ডুবিয়ে আক্রান্ত স্থান আলতো করে মুছলে উপকার পাওয়া যায়।
  • লেবুর রস: লেবুর রস জলে মিশিয়ে ঘামাচির জায়গায় লাগালে দ্রুত কমে, তবে ত্বকে কাটাছেঁড়া থাকলে সাবধান।

গরমে ঘামাচি প্রতিরোধের সতর্কতা:

  • সুতির পোশাক: সবসময় হালকা ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পড়ুন, যা ঘাম শুষে নেয়।
  • পরিচ্ছন্নতা: দিনে অন্তত দু'বার স্নান করুন এবং ঘাম হলে তা মুছে ফেলুন।
  • ঠান্ডা পরিবেশ: ফ্যান বা এসি-তে থাকার চেষ্টা করুন।
  • পাউডার বর্জন: ঘামাচির ওপর পাউডার দিলে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে সমস্যা বাড়তে পারে।
  • ভিটামিন সি: পাতিলেবুর শরবত বা ডাবের জল বেশি করে পান করুন।
  • যদি ঘামাচি খুব বেড়ে যায়, পুঁজ জমে বা প্রচণ্ড ব্যথা হয়, তবে অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।