makeup: লিপস্টিক থেকে ফাউন্ডেশন— মেকআপ কিট সাজাতে আমরা অনেকেই প্রচুর টাকা খরচ করি। কিন্তু শুধু কিনলেই তো হবে না, সেইসব মূল্যবান উপকরণের সঠিক যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি।
মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জ ব্যবহারের পর যদি নোংরায় ফেলে রাখেন, তবে তা ত্বকের ক্ষতি তো করবেই, সাথে সাথে ব্রাশের আয়ুও কমাবে। তাই নিয়মিত ব্রাশ এবং বিউটি ব্লেন্ডার ধুয়ে পরিষ্কার করা দরকার। তবে মনে রাখবেন, পরিষ্কার করার পর জল যেন কোনওভাবেই না থাকে। সম্পূর্ণ শুকনো ব্রাশই ব্যবহারযোগ্য।
শখের মেকআপ কিট দ্রুত নষ্ট হওয়ার মূল কারণ ভুল সংরক্ষণ, আলো, তাপ ও আর্দ্রতা। দীর্ঘদিন ভালো রাখতে মেকআপ পণ্য সবসময় ঠান্ডা, শুষ্ক ও অন্ধকার জায়গায় (যেমন ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ার) রাখুন। সরাসরি সূর্যালোক ও বাথরুমের আর্দ্রতা এড়িয়ে চলুন, ব্রাশ নিয়মিত ধুয়ে শুকিয়ে নিন এবং ব্যবহারের পর প্রতিটি পণ্যের ঢাকনা শক্ত করে আটকে রাখুন।
মেকআপ কিট দীর্ঘদিন ভালো রাখার বিস্তারিত টিপস:
* সঠিক স্টোরেজ: মেকআপ পণ্য সরাসরি সূর্যালোক ও তাপ থেকে দূরে রাখুন, কারণ তা পণ্য গলিয়ে বা ভেঙে ফেলতে পারে। বাথরুমে মেকআপ রাখবেন না, আর্দ্রতায় ব্যাকটেরিয়া জন্মে।
* ফ্রিজে সংরক্ষণ: ফেসিয়াল মিস্ট, টোনার, আইলাইনার, মাসকারা এবং ক্রিম-ভিত্তিক পণ্য গ্রীষ্মকালে বা অতিরিক্ত গরমে ফ্রিজে (ফ্রিজারে নয়) রাখতে পারেন, এতে এগুলো দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
* ব্রাশ ও স্পঞ্জ পরিষ্কার: প্রতিবার ব্যবহারের পর বা অন্তত সপ্তাহে একবার ব্রাশ ও স্পঞ্জ পরিষ্কার করা উচিত। নোংরা ব্রাশে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে, যা ত্বক এবং ব্রাশ উভয়েরই আয়ু কমায়।
* পণ্যের ঢাকনা আটকানো: ব্যবহার শেষে লিপস্টিক, ফাউন্ডেশন বা আইলাইনারের ক্যাপ বা ঢাকনা শক্ত করে আটকে রাখুন, যাতে বাতাস ঢুকে শুকিয়ে না যায়।
* এক্সপায়ারি ডেট চেক: মেকআপের গায়ে পিগটগ্রাম বা '6M', '12M' (6 বা 12 মাস) চিহ্ন দেখে মেয়াদ বুঝে ব্যবহার করুন। মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য স্কিন ইনফেকশন বা অ্যাকনির কারণ হতে পারে।
* হাতের স্পর্শ বর্জন: কৌটা বা টিউব থেকে সরাসরি আঙুল দিয়ে ক্রিম বা মেকআপ না নিয়ে ব্রাশ বা অ্যাপ্লিকেটর ব্যবহার করুন, এতে ব্যাকটেরিয়া ছড়ায় না।
জরুরি লক্ষণ: যদি লিপস্টিক বা ক্রিমের ওপর জল জমতে দেখেন, গন্ধ বদলে যায় বা পণ্যের টেক্সচার আলাদা হয়ে যায়, তবে তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে ধরে নিন।
