মায়ের আলমারিতে পড়ে থাকা পুরোনো শাড়িগুলো ফেলে দেবেন না। সেই সিল্ক, কাতান বা জামদানি দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ ট্রেন্ডি পোশাক। বিয়েবাড়ি থেকে অফিস পার্টি, সব জায়গায় নজর কাড়বে আপনার স্টাইল।
প্রতিটি মেয়ের আলমারিতেই মায়ের বা ঠাকুমার কিছু পুরোনো শাড়ি থাকে, যা হয়তো আর পরা হয় না, কিন্তু ফেলে দিতেও মন চায় না। সেই ভারী বেনারসি, সিল্ক বা ঢাকাই জামদানির কাপড়ের কোয়ালিটি এখনকার বাজারের যে কোনও দামি পোশাককে হার মানাবে। তাই পুরোনো শাড়ি ফেলে না রেখে, তাকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনুন। খরচও বাঁচবে, আবার হবেন ফ্যাশনেবলও।
পুরোনো শাড়ি দিয়ে ৫টি আধুনিক পোশাকের আইডিয়া:
১. ডিজাইনার লেহেঙ্গা-চোলি: মায়ের ভারী বেনারসি বা কাঞ্জিভরম শাড়ি থাকলে তা দিয়ে দারুণ লেহেঙ্গা বানাতে পারেন। শাড়ির আঁচলের ভারী কাজটা চোলিতে ব্যবহার করুন। বিয়েবাড়ি বা উৎসবে এই লেহেঙ্গা আপনাকে রাজকীয় লুক দেবে। দর্জিকে বললেই ৮০০-১০০০ টাকায় বানিয়ে দেবে।
২. ট্রেন্ডি কুর্তি বা কাফতান: সুতির বা খাদি শাড়ি দিয়ে লং কুর্তি বা কাফতান বানান। গরমে অফিস বা কলেজে পরার জন্য এটি দারুণ আরামদায়ক। শাড়ির পাড়টা কুর্তির হাতায় বা নিচে বর্ডার হিসেবে ব্যবহার করলে ডিজাইনটা আরও সুন্দর লাগবে।
৩. শারারা ও পালাজো সেট: এখন শারারা-গারারা ভীষণ ট্রেন্ডে। মায়ের যে কোনও সিল্ক শাড়ি দিয়ে শারারা প্যান্ট বানিয়ে ফেলুন। ওপরের কুর্তিটা এক রঙের কিনে নিলে পুরো সেটটা দেখতে হবে বুটিকের ড্রেসের মতো।
৪. স্টাইলিশ ব্লাউজ: পুরোনো শাড়ির সবটা ব্যবহার করতে না চাইলে, শুধু আঁচলের অংশ কেটে ডিজাইনার ব্লাউজ বানান। একটি ভালো ডিজাইনার ব্লাউজের দাম ১৫০০-২০০০ টাকা। কিন্তু পুরোনো শাড়ি দিয়ে বানালে খরচ অর্ধেক। যে কোনও একরঙা শাড়ির সঙ্গে এই ব্লাউজ পরলে লুকটাই বদলে যাবে।
৫. সন্তানের জন্য পোশাক: মায়ের প্রিয় শাড়ি দিয়ে আপনার ছোট মেয়ের জন্য ছোট লেহেঙ্গা বা ফ্রক বানিয়ে দিতে পারেন। এতে শাড়ির স্মৃতিও থেকে যাবে, আর বাচ্চাকেও দেখাবে ভীষণ মিষ্টি।
সুতরাং, শাড়ি কাটার আগে অবশ্যই ভালো করে ড্রাই ওয়াশ করে নেবেন। এবং ভালো বুটিক বা দর্জির কাছে যান যারা পুরোনো কাপড় রিইউজ করতে পারে।


