বাথরুমের কাঠের দরজা জল ও স্যাঁতস্যাঁতে ভাবের কারণে প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়। ওয়াটারপ্রুফ পলিশ ব্যবহার, সঠিক বায়ু চলাচল, নিয়মিত পরিষ্কার এবং দরজার নিচের অংশের যত্ন নিলে এটিকে ফাঙ্গাস ও পচনের হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব। 

বাথরুমের কাঠের দরজা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। কারণটা খুব সহজ - একটানা জল আর স্যাঁতস্যাঁতে ভাব। এর ফলে দরজায় ছাতা পড়া, ফাঙ্গাস ধরা বা কাঠ পচে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এতে দরজার সৌন্দর্য আর মজবুত, দুটোই নষ্ট হয়। তবে শুরু থেকে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে কাঠের দরজাকে বহুদিন পর্যন্ত নতুন রাখা যায়। আসুন, জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ টিপসগুলো।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ওয়াটারপ্রুফ পলিশ বা বার্নিশ করান

কাঠের দরজার ওপর ওয়াটারপ্রুফ পলিশ বা বার্নিশ লাগিয়ে নিলে জলের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। এটি একটি সুরক্ষার আস্তরণ তৈরি করে, যা জল বা ভেজা ভাবকে কাঠের ভেতরে ঢুকতে দেয় না। কয়েক মাস পর পর আবার পলিশ করিয়ে নিলে দরজা দীর্ঘদিন মজবুত ও চকচকে থাকবে।

বাথরুমে হাওয়া চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন

বাথরুমে যদি হাওয়া চলাচলের সঠিক ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে ভেজা ভাব সহজে যেতে চায় না। এই স্যাঁতস্যাঁতে ভাবই ধীরে ধীরে কাঠকে দুর্বল করে দেয়। তাই বাথরুমে এগজস্ট ফ্যান বা জানলা অবশ্যই থাকা উচিত, যাতে হাওয়া চলাচল করে আর দরজা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়।

দরজায় জল জমতে দেবেন না

স্নানের পর প্রায়ই দরজায় জলের ফোঁটা লেগে থাকে, যা কাঠকে ফুলিয়ে দেয় বা পচিয়ে ফেলে। চেষ্টা করুন দরজায় যাতে বেশি জল না লাগে। স্নানের পর একটা শুকনো কাপড় দিয়ে দরজাটা মুছে দিলে স্যাঁতস্যাঁতে ভাব কমে যায় এবং দরজা সুরক্ষিত থাকে।

নিয়মিত ফাঙ্গাস পরিষ্কার করুন

বাথরুমের ভেজা আবহাওয়ার জন্য দরজায় ফাঙ্গাস বা কালো দাগ হয়ে যায়। এটাকে অবহেলা করলে কাঠ তাড়াতাড়ি নষ্ট হতে পারে। তাই হালকা সাবান বা ভিনিগার মেশানো জল দিয়ে নিয়মিত দরজা পরিষ্কার করুন। এতে দরজা যেমন পরিষ্কার থাকবে, তেমনই ফাঙ্গাস ছড়ানোর ভয়ও কমবে।

দরজার নিচের দিকে বিশেষ নজর দিন

কাঠের দরজার নিচের অংশেই সবচেয়ে বেশি জল লাগে, আর সেখান থেকেই পচন ধরতে শুরু করে। এর জন্য দরজার নিচে একটি রাবার স্ট্রিপ বা মেটাল শিট লাগিয়ে নিতে পারেন। এতে জল সরাসরি কাঠের ক্ষতি করতে পারবে না এবং দরজার আয়ুও বাড়বে।