কোলেস্টেরল বা এলডিএল ধমনিতে জমে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের আশঙ্কা তৈরি করে। তাই হার্টের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ডায়েটের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রোজের খাদ্যতালিকায় কয়েকটি নির্দিষ্ট খাবার যোগ করলে ভোগাবে না খারাপ কোলেস্টেরল।

ধমনী থেকে ক্ষতিকারক এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরল দূর করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে খাদ্যতালিকায় ওটস, বার্লি, শিম, ডাল, বাদাম, অলিভ অয়েল এবং টক জাতীয় ফল নিয়মিত রাখা প্রয়োজন। এগুলি উচ্চ দ্রবণীয় ফাইবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা ধমনী পরিষ্কার রাখে । এছাড়াও, চর্বিযুক্ত মাছ, শাকসবজি এবং আস্ত শস্যদানা ধমনী সুস্থ রাখে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ধমনী পরিষ্কার রেখে কোলেস্টেরল কমানোর সেরা খাবারসমূহ:

* দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: ওটমিল, বার্লি, ওটস, বিনস, মটরশুটি, এবং মসুর ডাল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে ।

* ফলমূল ও শাকসবজি: আপেল, আঙুর, স্ট্রবেরি, সাইট্রাস ফল (লেবু), পেঁপে, এবং শাকসবজিতে প্রচুর ফাইবার ও ভিটামিন থাকে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

* হেলদি ফ্যাট বা অসম্পৃক্ত চর্বি: অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো, এবং সূর্যমুখীর তেল খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।

* বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম (Almonds), আখরোট এবং ফ্লেক্সসিড (তিসির বীজ) হার্টের জন্য উপকারী।

* চর্বিযুক্ত মাছ: স্যালমন, টুনা, ম্যাকেরেলের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার:

* লো-ফ্যাট দই বা দুধ খাওয়া উচিত।

যেসব খাবার বর্জনীয় বা কম খাওয়া উচিত:

* ট্রান্স ফ্যাট: ভাজা পোড়া খাবার, ফাস্ট ফুড, এবং প্যাকেটজাত স্ন্যাকস।

* স্যাচুরেটেড ফ্যাট: অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস (যেমন- খাসি বা গরুর মাংস), মাখন, ক্রিম, এবং পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের টিপস:

* নিয়মিত ব্যায়াম: শারীরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং নিয়মিত হাঁটাচলা করা জরুরি।

* ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন, বিশেষ করে পেটের চর্বি কমানো উচিত।

* ধূমপান বর্জন: ধমনী সুস্থ রাখতে ধূমপান ত্যাগ করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এই ধরনের সুষম আহার ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন ধমনীতে প্লাক (plaque) জমা রোধ করে হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে।