২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়। অটিজম কোনো রোগ নয়, এটি একটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল অবস্থা যা সামাজিক যোগাযোগ এবং আচরণে প্রভাব ফেলে। এই দিবসের লক্ষ্য হল অটিজমে আক্রান্তদের অধিকার রক্ষা এবং সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয় অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। প্রথমেই জেনে রাখা ভালো, অটিজম কোনও রোগ নয়, এটি একটি অবস্থা। মস্তিষ্কের বিকাশের সময় কিছু ত্রুটির কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা, সমাজে মেলামেশায় অনীহা, কথা বলার ক্ষেত্রে অসুবিধা এবং একই কাজ বারবার করা।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের মূল লক্ষ্য হল অটিজমে আক্রান্তদের অধিকার, সমাজে অন্তর্ভুক্তি এবং সচেতনতা বাড়ানো। বিশ্বজুড়ে পালিত এই দিনটি মনে করিয়ে দেয় যে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) সম্পর্কে আমাদের আরও ভালোভাবে বুঝতে হবে এবং আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে। ২০২৬ সালের জন্য এই দিবসের থিম হল "অটিজম ও মানবতা, প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে"।
২০০৭ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভা ২ এপ্রিল তারিখটিকে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস (WAAD) হিসেবে ঘোষণা করে। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং সমাজে তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করাই এই দিনটির প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি, অটিজম কী, ব্যক্তি ও পরিবারের উপর এর প্রভাব কতটা এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝানোও এই দিবসের অন্যতম লক্ষ্য।
অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) হল একটি নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল অবস্থা, যেখানে সামাজিক মেলামেশা, যোগাযোগ এবং নির্দিষ্ট কিছু আচরণ বারবার করার মতো চ্যালেঞ্জ দেখা যায়। সাধারণত ২-৩ বছর বয়সেই এর লক্ষণগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছোটবেলায় এটি ধরা পড়ে, তবে অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও এই অবস্থা নির্ণয় করা হয়।


