Saputara Tourism: বর্ষায় একঘেয়ে দার্জিলিং বা পুরী নয়, এবার ঘুরে আসুন মেঘের রাজ্য থেকে। মহারাষ্ট্র-গুজরাট সীমান্তে লুকিয়ে আছে এক স্বপ্নের হিল স্টেশন - সাপুতারা। বর্ষায় কুয়াশা মোড়া পাহাড়, আঁকাবাঁকা রাস্তা, আর গর্জে ওঠা ঝরনা আপনাকে প্রেমে পড়তে বাধ্য করবে। কলকাতা থেকে কীভাবে যাবেন, খরচ কত? রইল সম্পূর্ণ গাইড।
Tourism News: বর্ষা মানেই আপনার মন পাহাড় পাহাড় করে? কিন্তু ভিড় আর দাম দেখে দার্জিলিং বা সিকিমের প্ল্যান বাতিল করছেন? তাহলে এবারের গন্তব্য হোক সাপুতারা। গুজরাটের একমাত্র হিল স্টেশন হলেও এর সৌন্দর্য গোয়ার মতোই। বর্ষায় যখন চারিদিক সবুজে মোড়া, মেঘ এসে ঢেকে দেয় পাহাড়চূড়া, তখন সাপুতারাকে মনে হয় যেন এক টুকরো স্বর্গ। ভিড় কম, খরচও কম, আর সৌন্দর্য? একশোয় একশো।
কেন বর্ষায় সাপুতারা যাবেন?
১. মেঘ আর কুয়াশার খেলা: বর্ষায় সাপুতারার আসল রূপ খোলে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার হোটেলের বারান্দা দিয়ে মেঘ ভেসে যাচ্ছে। টেবিল পয়েন্ট থেকে পুরো উপত্যকা কুয়াশায় ঢাকা দেখতে অসাধারণ লাগে। মনে হবে মেঘের ওপর বসে আছেন।
২. একগুচ্ছ ঝরনা: এই সময় এখানকার প্রতিটি ঝরনা পূর্ণ যৌবনে থাকে। সাপুতারা লেকের পাশেই রয়েছে গিরা ফলস। বর্ষায় এর গর্জন বহু দূর থেকে শোনা যায়। এছাড়াও আছে গিরমল ফলস, যা গুজরাটের উচ্চতম ঝরনা।
৩. কী কী দেখবেন? সাপুতারা লেকে বোটিং করতে ভুলবেন না। রোপওয়েতে চড়ে সানসেট পয়েন্টে যান, সূর্যাস্তের দৃশ্য ভুলবেন না। আর্টিস্ট ভিলেজে আদিবাসী হস্তশিল্প কিনতে পারেন। আর ট্রেকিং ভালোবাসলে হাতগড় কেল্লা ট্রেক করুন।
কীভাবে যাবেন কলকাতা থেকে?
কলকাতা থেকে সাপুতারা যাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ট্রেনে। হাওড়া থেকে সুরাট বা নাসিকের ট্রেন ধরুন। নাসিক রোড স্টেশন থেকে সাপুতারা মাত্র ৮০ কিমি। স্টেশন থেকে বাস বা গাড়ি ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাবেন। সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা।
খরচ কত?
বর্ষায় এখানে হোটেল ভাড়া অনেকটাই কম থাকে। ১০০০-১৫০০ টাকায় ভালো হোটেল পেয়ে যাবেন। ২ দিন ৩ রাতের জন্য জনপ্রতি ৬-৭ হাজার টাকায় খুব ভালোভাবে ঘুরে আসা যায়। এবার বর্ষায় পাহাড়ের ডাক এলে, ভিড় ঠেলে দার্জিলিং নয়, শান্ত নিরিবিলি সাপুতারাকেই বেছে নিন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


