কাজে যাওয়ার সময় বাচ্চাদের একা রেখে যেতে হয় এমন বাবা-মায়েদের জন্য ৫ টি অতি প্রয়োজনীয় টিপস।

আজকাল পরিবার চালানোর জন্য পুরুষ ও মহিলা উভয়কেই কাজ করতে হয়। খরচ অনেক বেড়ে গেছে। অনেক পরিবারেই বাবা-মা দুজনকেই কাজ করতে হয়। কিছু বাবা-মা বাচ্চাদের বাড়িতে একা রেখে কাজে যান। কিন্তু ছোট্ট কোন ভুলের জন্য বাচ্চারা ভয় পেতে পারে। সম্প্রতি বাড়িতে একা থাকা বাচ্চাদের উপর বিভিন্ন আক্রমণ, যৌন হয়রানি, দুর্ঘটনা বেড়ে চলেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই ঘটনাগুলি বাবা-মায়েদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপরিচিত লোকেরা বাড়িতে ঢুকে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটে। বাড়িতে দাদা-ঠাকুমা বা অন্য কেউ না থাকলে বাচ্চাদের একা রেখে যাওয়ার আগে বাবা-মায়েদের এই ৫ টি বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

নিরাপত্তা বিধি

বাচ্চাদের কিছু প্রাথমিক নিরাপত্তা বিধি শিখিয়ে রাখা জরুরি। বাড়ির গ্যাস, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করার সতর্কতা শিখিয়ে দিতে হবে। অপরিচিত কেউ বাড়িতে এলে দরজা খুলতে নেই। ব্যক্তিগত তথ্য অপরিচিতদের বলতে নেই। মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট কিভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয় তা শিখিয়ে দিন।

জরুরি ফোন নম্বর

জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য কিছু ফোন নম্বর বাড়িতে লিখে রেখে দিন। বাবা-মায়ের নম্বর, কাছের আত্মীয়দের নম্বর, জরুরি সেবা যেমন ১০০ (পুলিশ), ১০৮ (অ্যাম্বুলেন্স), ১১২ (জরুরি সেবা) লিখে ফ্রিজের উপর লাগিয়ে দিন। কোন বিপদ হলে এই নম্বরগুলিতে ফোন করতে বলুন।

বিপজ্জনক জিনিসপত্র

কাজে যাওয়ার আগে বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য বিপজ্জনক কোন জিনিসপত্র না থাকে তা নিশ্চিত করুন। ধারালো জিনিসপত্র, বিপজ্জনক ওষুধ বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রেখে দিন।

স্বাস্থ্যকর খাবার

বাচ্চাদের ক্ষুধা লাগলে তারা সহ্য করতে পারে না। বাড়িতে খাবার না থাকলে তারা নিজেরাই রান্না করার চেষ্টা করতে পারে। এটা অনেক বিপজ্জনক। তাই বাচ্চাদের একা রেখে যাওয়ার আগে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও নাস্তা রেডি করে রেখে যান।

যোগাযোগ রাখুন

বাচ্চাদের রেখে বাইরে গেলেও তাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন। ভিডিও কল বা সাধারণ ফোনে তাদের সাথে কথা বলুন। তারা যেন একা না লাগে তা নিশ্চিত করুন। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে। তাদের বিরক্ত না করে কিছুক্ষণ পরপর কথা বলুন।

বাচ্চাদের একা রেখে যাওয়া কোন বাবা-মায়ের জন্যই সহজ নয়। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে কখনও কখনও বাচ্চাদের একা রেখে যেতে হয়। তখন তাদের সাথে যোগাযোগ রাখা ও তাদের প্রয়োজন মেটানো জরুরি যাতে তারা একা না লাগে।