করোনা গ্রাস করেছে গোটা বিশ্বকে। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন নিজের চরিত্র বদলে নিচ্ছে করোনা ভাইরাস। আগে শুধুমাত্র ঠান্ডা , জ্বর ,কাশি, শ্বাসকষ্ট হলেই করোনা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যেত সকলে। কিন্তু বর্তমানে করোনা উপসর্গের তালিকায় ঢুকে পড়েছে একের পর এক নয়া নয়া উপসর্গ। করোনা নিয়ে সকলের মধ্যেই যে প্যানিক সৃষ্টি হয়েছে। যে যাই বলছে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যাচ্ছি সকলেই । সত্যতা বিচারের ক্ষমতা যেন প্রায় লোপ পাচ্ছে।

আরও পড়ুন-ক্রেডিট কার্ডের সাহায্যে লেনদেন করছেন, সাবধান হোন এখনই...

আরও পড়ুন-দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ হাজার ছাড়াল, মোবাইলে আরোগ্য সেতু না থাকলেই এবার শাস্তি...

আরও পড়ুন-করোনা ক্লান্ত বিশ্বে ফের আশার আলো, সবার আগে ভ্যাকসিন আনার দাবি করছে ইতালি...

আরও পড়ুন-Coronavirus LIVE, দেশে আক্রান্ত ৫৪৮ জন চিকিৎসক, ১,৬১০ কোটি টাকার ত্রাণ প্যাকেজ ঘোষণা কর্ণাটক সরকারের...

কেউ বলছে বাতাসের আদ্রর্তা বেড়ে গেলেই করোনা কমবে, আবার কেউ কেউ বলছে গরম জলে চান করলে করোনা হয় না, আবার কারোর মতে হ্যান্ড ড্রায়ার ভাইরাস মেরে ফেলে। এই সমস্ত কথাই পুরোটাই গুজব। যত দিন যাচ্ছে করোনা নিয়ে বিভিন্ন গুজব যেন বাতাসে ছড়িয়ে যাচ্ছে। তার উপর সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে তা যেন আরও বড় আকার ধারণ করছে। এটা করলে করোনা হবে না, ওটা করলে করোনা ধারেকাছে ঘেষতে পারবে না। এই গুজব বহু মানুষ বিশ্বাসও করে ফেলছেন। নিজেই শুধু বিশ্বাস করছেন তেমনটাই নয়, অপরকেও বিশ্বাস করাচ্ছেন। কিন্তু এই  গুজবে কান দিলেই ঠকতে হবে তা আগেই জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এমন বেশ কিছু গুজবের উদাহরণ রইল, যা বিশ্বাস করলেই ঠকবেন।

করোনার নির্দিষ্ট কোনও বয়স নেই, যে কোনও বয়সের লোকই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। শরীর বেশি অসুস্থ থাকলে আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে করোনা।

গরম জলে স্নান করলে করোনার জীবাণু কখনওই মরে যায় না।

গরম, আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি এমন এলাকাতেও করোনার জীবাণু ছড়াতে পারে। গরমে জীবাণু মরে যায় এমন কোনও স্পষ্ট প্রমাণ এখনও পর্যন্ত মেলেনি।

ঠাণ্ডা প্রবণ এলাকায় করোনা  মোটেই কমে না।

আগে থেকে নিউমোনিয়া বা কোনও  জ্বরের কোনও টিকা নেওয়া থাকলে করোনা হবে না এমন ভাবা মোটেই ঠিক নয়।

নিয়মিত নাকে স্যালাইন ঘষলে করোনা সংক্রমণ আটকানো যাবে তেমনটা ভাবাটাই ভুল।

রসুন শরীরের পক্ষে উপকারী ঠিকই কিন্তু তাতে করোনা আটকানোর কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত মেলে নি।

করোনার জীবাণু মারতে হ্যান্ড ড্রায়ার কখনওই সক্ষম নয়।

স্টেরিলাইজেশনের জন্য কখনওই অতি বেগুনি রশ্মি ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বকে জ্বালাভাব দেখা দিতে পারে।

কারোর যদি জ্বর থাকে তা থার্মাল স্ক্যানারে বোঝা সম্ভব। কিন্তু সেই জ্বর করোনাভাইরাস কিনা তা বোঝা মোটেই সম্ভব নয়।

সারা শরীরে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন মেখ নিলে শরীরের মধ্যে ঢুকে যাওয়া করোনার জীবাণু মরে না।

জীবাণুর ওপর অ্যান্টবায়োটিক কাজ করে না, করে ব্যাকটিরিয়ার ওপর।