ছোট বয়সেই বাচ্চার বুদ্ধির (intellect) বিকাশ ঘটে। এই  সময় বিশেষ যত্ন নিন বাচ্চার। বাচ্চার বুদ্ধি বিকাশ ঘটাতে কয়টি জিনিস মেনে চলুন।   

সদ্য ৫ বছরে পা দিল তিন্নি। এই টুকু বয়সেই বেশ বুদ্ধি হয়েছে। যাই করে, গুছিয়ে করে। পড়াশোনাতেও (Education) মন হয়েছে। খেলাধুলো করতেও বেশ ভালোবাসে। তবে, সব বাচ্চা তিন্নির মতো হয় না। অনেক বাচ্চা (Kids) বড্ড বেশি শান্ত হয়। কোনও কাজে আগ্রহ পায় না। পড়াশোনাও করতে চায় না। তবে, ছোট থেকে বাচ্চার এমন স্বভাব থাকলে বেশ মুশকিল। ছোট বয়সেই বাচ্চার বুদ্ধির (intellect) বিকাশ ঘটে। এই সময় বিশেষ যত্ন নিন বাচ্চার। বাচ্চার বুদ্ধি বিকাশ ঘটাতে কয়টি জিনিস মেনে চলুন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বই পড়া- বাচ্চাকে গল্পের বই পড়ানো অভ্যেস করুন। এতে বাচ্চার বুদ্ধির বিকাশ হবে। এখন গল্পের বই পড়ার (Reading) চল খুবই কমে গিয়েছে। তবে, বাচ্চাকে গল্পের বই পড়ান। এতে একদিকে যেমন বই পড়ার অভ্যেস তৈরি হবে, তেমনই বাচ্চার বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। নানা রকম গল্প পড়লে সে সেগুলো নিয়ে ভাববে। এতে বুদ্ধি বাড়বে।

ক্রিয়েটিভ কাজ- ছোট বয়সেই বাচ্চার বুদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ক্রিয়েটিভিটির (Creativity) বিকাশ ঘটে। বাচ্চার সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটাতে বাবা-মা হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করুন। বাচ্চাকে বিভিন্ন রকম ক্রিয়েটিভ কাজে যুক্ত করুন। এমন খেলনা (Games) দিন যাতে তার বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। যত বুদ্ধি খাটাবে, তত তারই উপকার। পাজেল গেমস খেলতে দিন ছোট থেকে। দেখবেন, বাচ্চার বুদ্ধির সঙ্গে ধৈর্য্য বাড়বে।

আরও পড়ুন: Parenting Tips: বাচ্চার কান্নাকাটি, ঘ্যান ঘ্যানে ভাব ও হতাশা, ডিপ্রেশন থেকে হতে পারে বাচ্চার এমন আচরণ

কথা বলা- বাচ্চার সঙ্গে সারাক্ষণ কথা বলুন। যতটা সময় পাবেন বাচ্চাকে দিন। বিভিন্ন বিষয় কথা বলুন। তাকে নানা রকম প্রশ্ন করুন। সব রকম বিষয় জানান। সিনেমা দেখান, বাইরে ঘুরতে নিয়ে যান। আবার এমন অনেক বাচ্চা আছে যারা বার বার প্রশ্ন করে। বাচ্চা এমন হলে তার সব প্রশ্নের উত্তর দিন। কখনও বিরক্তি বোধ করবেন না। সে যত প্রশ্ন করবে, তত তার জানার ইচ্ছে বাড়বে। তত তার বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে। 

আরও পড়ুন: Parenting Tips: ভুলেও এই কয়টি কাজ করবেন না, ভাই-বোনের সম্পর্ক ভালো করতে প্রধান ভূমিকা নিতে হবে মা-বাবাকে
খেলাধুলো- বাচ্চাকে রোজ খেলতে নিয়ে যান। আজকাল মায়েরা বাচ্চাকে বাড়িতেই টিভির (TV) সামনে বসিয়ে রাখার অভ্যেস করে। এটা উচিত নয়। বাচ্চাকে খেলাধুলো করান। রোজ মাঠে (Play ground) নিয়ে যায়। আরও চারটে বাচ্চার সঙ্গে মিশলে তার উপকার। এতে একদিকে যেমন তার বুদ্ধির বিকাশ ঘটবে, তেমনই বাচ্চা শারীরিক (Health) ভাবেও সুস্থ থাকবে।