Ranji Trophy 2026: রঞ্জি ট্রফিতে কেরালার বিরুদ্ধে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল বাংলা। কিন্তু শাহবাজ আহমেদের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৩৫০ রানের সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছল তারা।
Ranji Trophy 2026: বাংলা রঞ্জি ট্রফিতে কেরালার বিরুদ্ধে খাদের কিনারা থেকে দারুণ কামব্যাক করল। দ্বিতীয় দিনে, ৬ উইকেটে ১৭২ রান নিয়ে তারা খেলা শুরু করে। শাহবাজ আহমেদের দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলা শেষ পর্যন্ত ৩৫০ রান তুলে অলআউট হয়। সাত নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শাহবাজ আহমেদ ২০৩ বলে ১২১ রানের একটা ফাটাফাটি ইনিংস খেলেন। আর তাতেই খাদের কিনারা থেকে বেঁচে ফেরে দল (Ranji Trophy 2026)। শাহবাজ অষ্টম উইকেটে সুমন্ত গুপ্তর (৪৯) সঙ্গে ১০৩ রান আর নবম উইকেটে প্রদীপ্ত প্রামাণিকের (২৭) সঙ্গে ৫৯ রানের দুটি দারুণ পার্টনারশিপ গড়েন। এই পার্টনারশিপগুলোর ওপর ভর করেই বাংলা ৩০০ পার করে। শেষ উইকেটে ভারতীয় তারকা মহম্মদ শামি (১৭) আর তাঁর ভাই মহম্মদ কাইফ মিলে দলের স্কোর ৩৫০ পার করে দেন। কেরালার হয়ে আদিত্য সারওয়াতে ৪টে, এন পি বাসিল ৩টে আর এম ডি নিধীশ ২টো উইকেট নেন। শাহবাজ তাঁর ১২১ রানের ইনিংসে ৮টা চার আর ৪টে ছক্কা হাঁকান।
শাহবাজ আহমেদের সেঞ্চুরির উপর ভর করে কেরালার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াল বাংলা
আগেরদিন বৃষ্টির জন্য ম্যাচ প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়। কেরালা অধিনায়ক বিষ্ণু বিনোদ টসে জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান। অভিমন্যু ঈশ্বরন প্রথম বলেই বাউন্ডারি মেরে ইনিংস শুরু করেন। তাঁর আর অঙ্কুর পলের জুটিতে বেশ দ্রুত রান উঠছিল। কিন্তু বাংলা পঞ্চম ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায়। অভিমন্যু ঈশ্বরন মাত্র ১০ রান করে এম ডি নিধীশের বলে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর আমির গনি আর অঙ্কুর পল মিলে ৪২ রান যোগ করেন। এন পি বাসিল ১৪ রান করা আমির গনিকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন। অন্যদিকে অঙ্কুর পল বেশ সাবলীলভাবেই রান তুলছিলেন, ৬৪ বলে তিনি নিজের হাফ-সেঞ্চুরিও পূরণ করে নেন।
এরপরই কেরালা অধিনায়ক বিষ্ণু বিনোদ আদিত্য সারওয়াতেকে আবার বোলিংয়ে ফিরিয়ে আনেন, আর তাঁর এই চাল দারুণ কাজে লেগে যায়। আদিত্য সারওয়াতে ৬৬ রান করে খেলতে থাকা অঙ্কুর পলকে অভিষেক পি নায়ারের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন। তিনি নিজের পরের ওভারেই সুদীপ চ্যাটার্জি আর অভিষেক পোড়েলকে প্যাভিলিয়নে ফেরান। সুদীপ চ্যাটার্জি মাত্র ৬ রান করে শচীন বেবির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। সারওয়াতে নিজেই ঠিক পরের বলেই একটা দারুণ রিটার্ন ক্যাচ নিয়ে অভিষেক পোড়েলকে আউট করেন।
বাংলা মাত্র ১০৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখন রীতিমতো ধুঁকছে। সুদীপ কুমার ঘরামি আর শাহবাজ আহমেদ সেই সময় ষষ্ঠ উইকেটে জুটি বাঁধেন। তাঁরা দুজনে মিলে ৬২ রান যোগ করেন। সুদীপ কুমার ঘরামি ৩৬ রান করে দিনের খেলা শেষ হওয়ার ঠিক আগের ওভারে আউট হয়ে যান। অভিষেক নায়ার এন পি বাসিলের বলে তাঁর ক্যাচ ধরেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


