Diego Maradona Hand of God: ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের (FIFA World Cup 1986) কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে (Argentina vs England) জোড়া গোল করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক দিয়েগো মারাদোনা। তাঁর দুই গোল নিয়েই চার দশক পরেও বিশ্বজুড়ে চর্চা চলে। এবার সেই ম্যাচের বল নিলামে তোলা হল।

DID YOU
KNOW
?
নিলামে মারাদোনার বল
দিয়েগো মারাদোনার 'হ্যান্ড অফ গড' গোলের বল টিউনিসিয়ার রেফারি আলি বিন নাসেরের কাছে ছিল। তিনি পরে সেই বল বিক্রি করে দেন।

Diego Maradona News: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) নিলামে তোলা হল ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের (FIFA World Cup 1986) কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের (Argentina vs England) বল। ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হল এই বল। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩১.৬ কোটি দামে টাকা। কিংবদন্তি দিয়েগো মারাদোনার (Diego Maradona) জন্য সেই ম্যাচ ও বল বিখ্যাত। এই ম্যাচে জোড়া গোল করেন মারাদোনা। মেক্সিকো সিটির (Mexico City) আজটেকা স্টেডিয়ামে (Estadio Azteca) বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম গোল করেন মারাদোনা। সেই গোল ‘হ্যান্ড অফ গড’ নামে পরিচিত। পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ইংল্যান্ডের গোলকিপার পিটার শিলটনের (Peter Shilton) সঙ্গে বলের দখল নেওয়ার জন্য লাফিয়ে ওঠেন মারাদোনা। তিনি হাত দিয়ে গোলে বল ঠেলে দেন। ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা প্রতিবাদ জানালেও, টিউনিসিয়ার (Tunisia) রেফারি আলি বিন নাসের (Ali Ben Nasser) সেই গোল বাতিল করেননি। এই গোল নিয়ে এখনও বিশ্ব ফুটবল মহলে আলোচনা, তর্ক চলে।

মারাদোনার দ্বিতীয় গোলও বিখ্যাত

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল কোয়ার্টার-ফাইনালে ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোল করার চার মিনিট পরেই ইংল্যান্ডের পাঁচজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোল করেন মারাদোনা। সেই গোল পরবর্তীকালে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই গোল নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই। কিন্তু প্রথম গোল নিয়ে আজও বিতর্ক চলে। অনেক বছর পর মারাদোনা নিজেই স্বীকার করেছিলেন, হাত দিয়েই গোলটি করেছিলেন। ইংল্যান্ডের ফুটবল মহল এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। এখনও মারাদোনার উপর রাগ রয়েছে।

বারবার হাতবদল বিখ্যাত বলের

হ্যান্ড অফ গড’-খ্যাত বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন সেই ম্যাচের রেফারি। তাঁর কাছে তিন দশকেরও বেশি সময় ছিল বল। ২০২২ সালে তিনি ২.৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি করে দেন বলটি। যে ব্যক্তি এই বল কিনে নেন, তিনি পরে আবার বলটি নিলামে তোলেন। ২০২৩ সালে রেফারি লিখিতভাবে জানান, সেই ম্যাচে একটি বলই ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়। নিলামের আগে বলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে মনে করা হচ্ছিল। তবে শেষপর্যন্ত সেটি বিক্রি হয়েছে ৩.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।