একসঙ্গে পাঁচ জন ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে নির্বাসনে পাঠিয়ে ডোপিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিল ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি। পাঁচ ক্রীড়াবিদার একজনও শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেননি। তাই পাঁচ জনকেই নির্বাসনে পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাডা। এই তালিকায় আছেন তিনজন ভারোত্তলক, একজন শ্যুটার ও একজন বক্সার। শ্যুটার রবি কুমারকে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে দুই বছরের জন্য। ভারোত্তলক সীমা ও মুকুল শর্মাকে কে চার বছর, আরেক ভারোত্তলক পুর্ণিমাকে দুই বছর ও বক্সার দীপক শর্মাকে দুই বছরের নির্বাসনে পাঠিয়েছে নাডা। 

আরও পড়ুন - টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে অনুশীলন করবেন বুমরা, নিউজিল্যান্ড সফরে ফেরার ইঙ্গিত

গত সপ্তাহেই ডোপিং নিয়ে এক বিটার সিদ্ধান্ত দেখেছে গোটা বিশ্ব। ডোপিং করা ও তারপর ডোপিং সংক্রান্ত নথিতে কারচুপি করা এমনকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডালিক করে দেওয়ার মত অপরাধে গোটা রাশিয়া দেশটাকেই অলিম্পিক সহ বিভিন্ন খেলার আসর থেকে চার বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত দেখে গোটা ক্রীড়াবিশ্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ। ডোপিং সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও রকম আপশ করতে রাজি নয় বিভিন্ন দেশের ডোপিং বিরোধী সংস্থা গুলি। ভারতের নাডাও তাই কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ। 

আরও পড়ুন - ‘কঠিন’ রিয়াল মাদ্রিদ অপেক্ষা করছে এল-ক্লাসিকোতে, বলছেন লিও মেসি

গত কয়েক মাসে ভারতের একাধিক ক্রীড়াবিদ ডোপের কবলে পরেছেন। একে একে তাঁদেরই শুনানি পর্ব চলছে। যে যে ক্রীড়াবিদ নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করতে পারছেন বা স্যাম্পেল বি টেস্টের আবেদন করছেন তাদের আবেদন গুরুত্বসহ ভেবে দেখেছে ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি। কিছুদিন আগেই ডোপিংয়ের দায়ে অন্তবর্তী নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে বক্সার নিরজ ফোগাট ও ভারতীয় বাক্সেটবলের তারকা সতনাম সিংকে। তাদের শুনানি পর্ব এখনও বাকি। আগামী বছর অলিম্পিক। একাধিক ভারতীয় ক্রীড়াবিদ যে ভাবে ডোপেরা দায়ে আভিযুক্ত হয়ে চলেছেন তাতে ভারতীয় অলিম্পিক ফেডারেশন বেশ চিন্তিত। 

আরও পড়ুন - ফুটবলে পা রোহিত শর্মার, লা-লিগার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হিটম্যান