ম্যাচে লড়াই দিতে না পারা ও হার নিশ্চিত যেনে হারালেন মেজাজ। ম্যাচের মাঝেই প্রতপিক্ষ বক্সারের কান কামড়ে দিলেন মরক্কোর বক্সার। ম্যাচ হজেই যেতেন নিউজিল্যান্ডের নায়কা। 

এ যেন ১৯৯৭-এর মাইক টাইনসনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ততটা ভয়ঙ্কর না হলেও, অনেকটা একই ঘটনার সাক্ষী থাকল টোকিও অলিম্পিক্স। উঠল প্রতিপক্ষ বক্সারের কান কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ। যা অলিম্পিকের ইতিহাসে বিরলতম ঘটনা। ছেলেদের হেভিওয়েট বক্সিংয়ের প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের ডেভিড নায়কা ও মরক্কোর ইউনেস বাল্লা। সেই ম্যাচেই নায়কার কান কামড়ে বিতরকে জড়ালেন বাল্লা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃব্যাডমিন্টনে দ্বিতীয় ম্য়াচেও দুরন্ত সিন্ধু, প্রতিপক্ষকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে প্রি কোয়ার্টারে ভারতীয় শাটলার

ম্যাচের প্রথম থেকে মরক্কোর ইউনেস বাল্লার উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করে খেলছিলেন নিউজিল্যান্ডের ডেভিড নায়কা। নায়কার আক্রমণের সামলাতে রীতিমত হিমসিম খাচ্ছিলেন বাল্লা। শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের মুখে দাঁড়িয়ে নিজের মেজাজ হারালেন তিনি। কমনওয়েলথ গেমসে দুবারের সোনার পদক জয়ী নায়েকার কানে কামড়ে দেন তিনি। তবে উত্তেজিত হননি নায়েকা। খুব সহজেই ৫-০ ব্যবধানে ম্য়াচ জেতেন তিনি। ঘটনার অভিযোগ করেন রেফারিকে। কিন্তু রেফারির চোখ এড়িয়ে যায় কামড়ানোর ঘটনা। যেই কারণে শাস্তির হাত থেকে বেঁচে গেলেন বাল্লা।

আরও পড়ুনঃপ্রথম রাউন্ডে জয় বাড়িয়েছিল আশা, দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় তরুণদীপ রাইয়ের

আরও পড়ুনঃমহিলা হকিতে হারের হ্যাটট্রিক, গ্রেট ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে হার ভারতের

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে প্রতিপক্ষ এভান্ডার হোলিফিল্ডের কান কামড়ে দেন কিংবদন্তী মাইক টাইসন। সেই সময় কানের অংশ ছিড়ে গিয়েছিল এভান্ডারের। রক্তারক্তি কাণ্ড হয়েছিল। এই ঘটনা মাইক টাইসনের বর্ণময় কেরিয়ারের অন্যতম বিতর্কিত দিক হিসেবে রয়ে গিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটানোয় ম্যাচ হারের পাশাপাশি বক্সিং থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন মাইক টাইসন।অলিম্পিকের ইউনেস বাল্লা সেই ২৪ বছর আগের ঘটনায় স্মরণ করিয়ে দিলেন সকলকে।

YouTube video player