Tutu Bose: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “ বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক, মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সচিব, প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন সাংসদ স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)-এর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাঁর শোকাহত পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।"
Tutu Bose: শেষযাত্রায় স্বপনসাধন বসু। ময়দানের অতিপরিচিত তথা ক্রীড়া প্রশাসনের অন্যতম নক্ষত্র টুটু বসুর প্রয়াণে শোকাহত ময়দান (tutu bose news)। মঙ্গলবার গভীর রাতে, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। কার্যত, ক্রীড়া প্রশাসনে নক্ষত্র পতন! ময়দান তথা ক্লাব ফুটবল মানচিত্রে অন্যতম এক স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ময়দানকে চিনতেন হাতের তালুর মতো। মোহনবাগান অন্তঃপ্রাণ ছিলেন। ভারতীয় ফুটবল তথা ক্রীড়া প্রশাসনের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল তারার নাম টুটু বসু (tutu bose mohun bagan)।

শেষযাত্রায় ময়দানের 'নক্ষত্র' টুটু বসু
তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি লিখেছেন, “মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ তথা বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক শ্রী স্বপনসাধন বসু (টুটু বসু) মহাশয়ের প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। মোহনবাগান ক্লাব এবং টুটু বসু একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়া প্রশাসনে ওনার অসামান্য অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ওনার নেতৃত্ব, দূরদৃষ্টি এবং খেলাধুলার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। আমি তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, পরিজন, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে ওনার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করি। ওঁ শান্তি"
অন্যদিকে, বালিগঞ্জে টুটু বসুর বাসভবনে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুনমুন সেন এবং তাঁর কন্যা রাইমা সেন। শ্রদ্ধা জানাতে পৌঁছে যান বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত এবং প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য। টুটু বসুকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বাসভবনে উপস্থিত হন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসকের পুত্র সৃঞ্জয় বোসের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন বিমানবাবু। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান জানান, "টুটুর সঙ্গে আমার সেই কবে থেকে পরিচিতি, বলা মুশকিল। সবসময় খোলা মনে কথা বলত। আজ এই খোলা মনটা পাওয়া খুবই দুর্লভ। এইরকম মানুষ সবাই হতে পারে না। অনেকের অর্থ থাকে, কিন্তু সেই মনটা থাকে না। ওর দুটোই ছিল।"
শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিমান-মমতা-অভিষেক
অপরদিকে, শোকজ্ঞাপন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রয়াত টুটু বসুর বাসভবনে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান কলকাতার মেয়র, প্রাক্তন মন্ত্রী এবং বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখেন, “মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন সাংসদ টুটু বসুর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই আন্তরিক সমবেদনা।"
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “ বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক, মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সচিব, প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন সাংসদ স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)-এর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। তাঁর শোকাহত পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা।"
মোহনবাগান ক্লাবে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান, সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে, প্রাক্তন ফুটবলা এবং শিল্টন পাল সহ অন্যান্যরা। সঙ্গে ছিলেন অগণিত সবুজ মেরুন সমর্থক।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
