Switzerland vs Canada: টানটান উত্তেজনার ম্যাচ। শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণ। ম্যাচের ১১ মিনিটে, রিকার্ডো রদ্রিগেজের থ্রু বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে ডান পায়ের মাপা শট নেন সুইস স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। কিন্তু দুর্দান্ত সেভ করেন কানাডা গোলকিপার ম্যাক্সিম ক্রেপো।

Switzerland vs Canada: বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতীয় সময় বুধবার রাতে, বিসি প্লেস ভ্যাঙ্কুভার স্টেডিয়ামে গ্রুপ বি-র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয় সুইজারল্যান্ড বনাম কানাডা। সেই ম্যাচেই ২-১ গোলে জয় সুইস ব্রিগেডের (Switzerland vs Canada live score)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

টানটান উত্তেজনার ম্যাচ। শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণ। ম্যাচের ১১ মিনিটে, রিকার্ডো রদ্রিগেজের থ্রু বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে ডান পায়ের মাপা শট নেন সুইস স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। কিন্তু দুর্দান্ত সেভ করেন কানাডা গোলকিপার ম্যাক্সিম ক্রেপো। 

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শেষ হাসি হাসল সুইজারল্যান্ড

এরপর জোহান মানজাম্বির শটও ব্লক হয়। খেলার ১৭ মিনিটে, আবারও অসাধারণ সেভ। এবারও এমবোলোর শট রুখে দেন কানাডা গোলকিপার। তবে পাল্টা আক্রমণে উঠে আসা কানাডাও। ম্যাচের ২০ মিনিটে, কানাডা ডিফেন্ডার লুক ডি ফুগেরোলস ডান পায়ে একটি জোরালো শট নেন। তবে সতর্ক ছিলেন সুইজারল্যান্ড গোলকিপার গ্রিগোর কোবেল। সেভ করেন তিনি। 

৩৩ মিনিটের মাথায়, ফের আক্রমণ তুলে আনে কানাডা। জোনাথন ডেভিডের থ্রু বল পান কানাডার ফরোয়ার্ড কাইল লারিন। বক্সের বাঁদিক দিয়ে আক্রমণ তুলে আনেন তিনি। কিন্তু তাঁর শট রুখে দেন সুইস গোলকিপার। ৪০ মিনিটের মাথায় আবারও সুযোগ নষ্ট করে কানাডা। এক্ষেত্রে মিস করেন অ্যালিস্টেয়ার জনস্টন। 

২-১ গোলে জয় কানাডার বিরুদ্ধে

বলা চলে, বেশ হাড্ডাহাড্ডি খেলা হচ্ছিল। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থাতেই। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল। বক্সের ডানদিক থেকে ঠিকানা লেখা পাস বাড়ান জোহান মানজাম্বি। সেই বল ধরে ডান পায়ের শটে অনবদ্য গোল করে যান সুইস স্ট্রাইকার এবং সুইজারল্যান্ড ম্যাচে লিড নেয় ১-০ ব্যবধানে। এরপর ৫৭ মিনিটে, আবার গোল। মাঝমাঠ থেকে থ্রু বলটি অসাধারণ রিসিভ করেন এমবোলো। তারপর পাস বাড়ান জোহান মানজাম্বির দিকে। এক্ষেত্রে বুদ্ধিদীপ্ত ভঙ্গিতেই সেন্টার বক্স থেকে ডান পায়ের শটে গোল করে যান তিনি এবং সুইজারল্যান্ড এগিয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে। 

নক-আউটে পৌঁছে গেল সুইজারল্যান্ড

YouTube video player

তারপরেই কানাডা দলে তিনটি পরিবর্তন আসে। ম্যাথিউ চোইনিয়েরের জায়গায় স্টিফেন ইউস্তাকিও, সাইল লারিনের পরিবর্তে তানি ওলুওয়াসেই এবং আলি আহমেদের জায়গায় লিয়াম মিলার মাঠে নামেন। 

খেলার ৬১ মিনিটে, কানাডার হয়ে পরিবর্ত নামা লিয়াম মিলারের হেডার ব্লক হয়। ৬৭ মিনিটের মাথায়, বক্সের মাঝখান থেকে জোনাথন ডেভিডের নেওয়া বাঁ পায়ের শটটি ব্লক হয়। কিন্তু ৭৬ মিনিটে, সবাইকে অবাক করে দিয়ে গোল দিল কানাডা। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমেই গোল করলেন প্রমিস ডেভিড। প্রথম টাচেই অনবদ্য গোল এবং হয়ে গেলেন সুপার-সাব। নাথান সালিবার অ্যাসিস্ট থেকে ডান পায়ের শটে গোল করেন প্রমিস ডেভিড। খেলার ফলাফল তখন ২-১। 

YouTube video player

হেরেও নক-আউটে কানাডা

তবে এরপর আর কোনও গোল হয়নি। শেষপর্যন্ত, ২-১ গোলে ম্যাচ জিতে নক-আউটে পৌঁছে গেল সুইজারল্যান্ড। তবে কানাডা এই ম্যাচে পরাজিত হলেও কোনও সমস্যা নেই। কারণ, তারাও পরের রাউন্ডে পৌঁছে গেছে। কারণ, তিন ম্যাচ খেলে সুইজারল্যান্ডের পয়েন্ট ৭। গ্রুপ টপার হয়ে তারা রাউন্ড অফ ৩২ -তে পৌঁছে গেছে। এরপর কানাডা আছে দ্বিতীয় স্থানে। তাদের তিন ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট। কিন্তু তিন ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট বসনিয়া-হার্জেগোভিনার দখলেও। কারণ, তারা আবার একইদিনে কাতারকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে। তবে গোল পার্থক্যে এগিয়ে আছে কানাডা। তাই কানাডা পরের রাউন্ডে গেছে। 

YouTube video player

কিন্তু এবার ১২টি দল থেকে দুটি করে দল রাউন্ড অফ ৩২ -তে যাওয়ার পর, আরও আটটি দল যাবে। নিয়মটা হচ্ছে, ১২টি গ্রুপ মিলিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে সেরা আটটি দল যাবে পরের রাউন্ডে। অর্থাৎ, ১২টির মধ্যে আটটি গ্রুপ থেকে আরও একটি করে দল কোয়ালিফাই করবে। কিন্তু সেটা ঠিক হবে সমস্ত গ্রুপের ম্যাচ শেষ হলে। তবে গ্রুপ বি-র ক্ষেত্রে বসনিয়ার পয়েন্ট যেহেতু ৪, তাই তাদের পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সরকারিভাবে গ্রুপ বি থেকে সুইজারল্যান্ড এবং কানাডা পৌঁছে গেছে রাউন্ড অফ ৩২-তে।

ফুটবল বিশ্বকাপের সব খবর সব আগে, শুধুমাত্র এশিয়ানেট নিউজ বাংলায়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।