Cheating Case: মোবাইল টাওয়ার বসানোর নামে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতারণার ঘটনা দেখা যাচ্ছে। এবার উত্তর ২৪ পরগনার বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্তবর্তী অঞ্চল বসিরহাটে এই ঘটনা দেখা গিয়েছে। তবে তৎপরতার সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। এই প্রতারণার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চারজনকে পাকড়াও করা হয়েছে।
KNOW
West Bengal News: মোবাইল টাওয়ার বসিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা অঙ্কের মাসিক ভাড়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৭১ বছর বয়সি এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করল বসিরহাট সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। জাতীয় সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর দ্রুত তদন্তে নেমে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে কিছু পরিমাণে টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা এই সাইবার প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল। প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থের গতিপথ এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা পুলিশের
পুলিশ সূত্রে খবর, মোবাইল টাওয়ার বসানোর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের ভাড়া পাওয়ার লোভ দেখিয়ে ওই প্রবীণ নাগরিককে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা হয়। বিভিন্ন অজুহাতে একাধিক দফায় তাঁর কাছ থেকে মোট ৩০,৭২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি জাতীয় সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পাওয়ার পরেই সাইবার ক্রাইমের পদ্ধতি ও আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে বসিরহাট সাইবার ক্রাইম থানা। তদন্তে উঠে আসে একাধিক সন্দেহজনক লেনদেন ও অভিযুক্তদের যোগসূত্র। সেই সূত্র ধরেই বাগুইআটি ও সল্টলেক অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে রানা সর্দার, পল্লবী রায়, বিশ্বজিৎ রাজবংশী ও সুরজিৎ ঘোষ নামে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। পাশাপাশি প্রতারিত প্রবীণ নাগরিক যাতে তাঁর খোয়া যাওয়া অর্থের ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে যথাযথ প্রতিকার পান, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ।
সাইবার ক্রাইম রুখতে তৎপর পুলিশ
বসিরহাট পুলিশ জেলার এই অভিযানে ফের স্পষ্ট, সাইবার প্রতারণার জাল যতই বিস্তৃত হোক, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের মাধ্যমে তার শিকড়ে পৌঁছতে তৎপর পুলিশ।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


