দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হল পাঁচজনকে। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে প্রকাশ্যে মারধরের ভিডিও সামনে আসতেই তৎপর হয় প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দ্রুত অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়।
দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হল পাঁচজনকে। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে প্রকাশ্যে মারধরের ভিডিও সামনে আসতেই তৎপর হয় প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে দ্রুত অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি ঘটে কুমারগঞ্জের ২৪ নম্বর বুথ এলাকায়।
বিজেপির পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। পাল্টা অভিযুক্তদের ধাওয়া করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। সেই সময় পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে কিল, চর-ঘুষি মারা হয়। সেই ছবি ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। এমনকি তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করা হয়। বুথে গিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনাস্থলে যান কমিশনের আধিকারিকরা। বিজেপি প্রার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া অবস্থান নেয় নির্বাচন কমিশন। ফুটেজে যাদের মারধর করতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন এবং প্রার্থীদের নিরাপত্তায় কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে।
বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ তলব করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন সময়মতো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব হয়নি এবং প্রার্থীর নিরাপত্তার কেন এই গাফিলতি। গোটা ঘটনার বিস্তারিত ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে।


