Kashmir Most Wanted Terrorist Arrested: বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিং থেকে গ্রেফতার কাশ্মীরের মোস্ট-ওয়ান্টেড জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মণ্ডল। তার কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধি অনুসরণের নথি উদ্ধার, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন গোয়েন্দারা। বিস্তারিত পড়ুন।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার ছক! পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান থেকে গ্রেফতার কাশ্মীরের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি হামিদ মণ্ডল। বর্ধামানের রেনেসাঁ হাউজিং অ্যাপার্টমেন্টে দীর্ঘদিন ধরেই ঘাঁটি গেড়ে বলেছিল । প্রায় এক মাস ঘরে সেখানেই ভাড়ায় ছিল। জইস-ই মহম্মদের সক্রিয় সদস্য হামিদ। পুলওয়ামা হামলায় যুক্ত সাজ্জাদ ভাটের সঙ্গে যোগ ছিল বলে সূত্রের খবর। হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ ছিল আইসিস জঙ্গিদের সঙ্গেও।

মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলার ছক!

পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার হল কাশ্মীরের মোস্ট-ওয়ান্টেড জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি, ঘটনার জেরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি ও নিরাপত্তা মহল। বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিং থেকে ধরা পড়ে ওই জঙ্গি। STF সূত্রে জানা যাচ্ছে, ধৃতের নাম হামিদ মণ্ডল, যে নিষিদ্ধ সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সংক্রান্ত এমন কিছু নথি মিলেছে, যা তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক শীর্ষ ব্যক্তিদের সম্পর্কে খবর সংগ্রহ করাই ছিল হামিদের মূল কাজ।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজ্যে থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর উপর হামলার ছক কষা হচ্ছিল কিনা। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি অনুসরণের প্রমাণও মিলেছে বলে দাবি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ধৃত হামিদ মণ্ডলের সঙ্গে কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সরাসরি যোগাযোগ ছিল। পুলওয়ামা হামলার মূল অভিযুক্ত সাজ্জাদ ভাটের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই ধৃত ব্যক্তি।

বর্ধমান ও নিউটাউনে ফ্ল্যাট

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান শহরের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে STF। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটেও কিছুদিন ঘাঁটি গেড়েছিল। STF সূত্রে খবর, হামিদের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর লোকেশন সংক্রান্ত তথ্য, তাঁকে অনুসরণের নির্দেশ এবং মোবাইল চ্যাট উদ্ধার হয়েছে, যা রীতিমতো উদ্বেগে রেখেছে রাজ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের।

জঙ্গি নেটওযার্ক

ধৃতের মোবাইল ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা, জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তার যোগাযোগের পরিধি জানারও চেষ্টা চলছে। আপাতত হামিদ মণ্ডলকে বর্ধমান আদালতে তোলা হচ্ছে। সেখান থেকে পুলিশ হেফাজতে চেয়ে পরে তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদাধিকারীকে ঘিরে এমন তথ্য উদ্ধার হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা বলয় নিয়ে নতুন করে ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। আদালতে তোলার পর ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।