- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Annapurna Bhandar: অন্নপূর্ণা যোজনায় ফর্ম ফিল-আপে ভুল হলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা? বড় আপডেট
Annapurna Bhandar: অন্নপূর্ণা যোজনায় ফর্ম ফিল-আপে ভুল হলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা? বড় আপডেট
অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে ভুল করেছেন? মাসে ৩০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদনপত্রে ভুল তথ্য থাকলে কী হবে, সংশোধনের সুযোগ রয়েছে কি না, কোন তথ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—জেনে নিন বিস্তারিত।
রাজ্যের মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ বা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Yojana)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ‘যোগ্য’ মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি সরকার।

তবে প্রশ্ন উঠছে প্রকল্পের ১২ পাতার দীর্ঘ ফর্ম নিয়ে। প্রকল্পের দীর্ঘ ১২ পাতার আবেদনপত্র ঘিরে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ। বহু আবেদনকারী অভিযোগ করছেন, তাড়াহুড়ো করে ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে নানা তথ্য ভুলভাবে লিখে ফেলেছেন।
ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে—এই ভুলের কারণে কি আবেদন বাতিল হতে পারে, নাকি পরে সংশোধনের সুযোগ থাকবে?
প্রকল্প সংক্রান্ত আলোচনায় উঠে এসেছে, আবেদনপত্রে ব্যক্তিগত তথ্য, পারিবারিক বিবরণ, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, আধার নম্বর, ভোটার পরিচয়পত্রের তথ্যসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করতে হচ্ছে।
এত তথ্য একসঙ্গে পূরণ করতে গিয়ে অনেক আবেদনকারী বানান ভুল, ভুল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, অসম্পূর্ণ ঠিকানা বা নথির তথ্য ভুলভাবে উল্লেখ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আবেদনপত্রে ছোটখাটো বানানগত ভুল এবং টাইপজনিত ত্রুটি সাধারণত সংশোধনযোগ্য হতে পারে। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর বা পরিচয় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুল হলে ভবিষ্যতে সুবিধা পেতে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কারণ সরকারি প্রকল্পে অর্থ সরাসরি উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। ফলে তথ্যের অসঙ্গতি থাকলে আবেদন যাচাইয়ের সময় তা আটকে যেতে পারে।
ফর্ম ফিলআপ-এর সময় কেউ তাড়াহুড়োয় ভুল তথ্য দিলে, বিশেষ করে আয়ের ক্ষেত্রে ভুল তথ্য দিলে আবেদন তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফর্মের শেষে ডিক্লারেশন দেওয়া রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি যে, উপরে প্রদত্ত তথ্য আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুযায়ী সত্য এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আমি সকল সহায়ক নথি প্রদান করেছি এবং উপরে উল্লিখিত কোনও মানদণ্ড বাদ দিইনি।
আরও লেখা রয়েছে, আমি অবগত যে, আমার প্রদত্ত কোনও তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে আমার সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত সুবিধাসমূহ বন্ধ হতে পারে। সুতরাং এক্ষেত্রে ধীরে সুস্থে সঠিক তথ্য দিয়েই ফর্ম পূরণ করতে হবে আবেদনকারীদের।
কোনও তথ্য না থাকলে বা ফর্মে যা চাওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে জানা না থাকলে, যতটা সম্ভব ফিলআপ করে, না পারলে নট অ্যাপ্লিকেবল লিখে দিতে হবে।
অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমেই আবেদন করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের জন্য।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, অফলাইনে ভুল হলে সেটিকে কেটে আপলোড করার সুযোগ থাকলেও অনলাইনের ক্ষেত্রে ভুল ঠিক করার সুযোগ নেই। ভেরিফিকেশনের সময় সঠিক নির্ভুল তথ্যই দিতে হবে আবেদনকারীকে।

