- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Lakshmi Yojana/Annapurna Bhandar: অন্নপূর্ণার ৩০০০ পাচ্ছেন? তাহলেও কি লক্ষ্মী যোজনার ২৫০০ টাকা পাবেন?
Lakshmi Yojana/Annapurna Bhandar: অন্নপূর্ণার ৩০০০ পাচ্ছেন? তাহলেও কি লক্ষ্মী যোজনার ২৫০০ টাকা পাবেন?
বাংলার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করেছে রাজ্য সরকার। তবে পয়লা অগাষ্ট চালু হচ্ছে আরও এক পোর্টাল, যেখানে আবেদন করলে মিলবে ২৫০০ টাকা! প্রশ্ন উঠছে, যারা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা কি লক্ষ্মী যোজনার সুবিধাও পাবেন?

বাংলায় বিজেপি সরকারি আসার পর চালু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। লক্ষ লক্ষ মহিলা ৩০০০ টাকা করে প্রতি মাসে ভাতা পাচ্ছেন। অগাষ্টেও প্রচুর নতুন তালিকা ভুক্ত মহিলারা এই টাকা পাবেন।

তবে আজ অন্নপূর্ণা যোজনা নয়, বরং লক্ষ্মী যোজনা (Lakshmi Yojana) নিয়ে আলোচনা করা হবে। এই স্কিমে মহিলারা মাসে মাসে ২৫০০ টাকা করে পাবেন। কারা এই টাকা পাবেন, কীভাবে আবেদন করতে হবে জেনে নিন।
লক্ষ্মী যোজনার যোগ্যতা থেকে আবেদনের খুঁটিনাটি
মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে সম্প্রতি বড় ঘোষণা করেছে বিজেপি সরকার। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় লক্ষ্মী যোজনার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়।
এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ১ আগস্ট থেকে লক্ষ্মী যোজনার পোর্টাল খুলে যাবে। যোগ্য মহিলারা সেখানে আবেদন করতে পারবেন।
ফলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের পাশাপাশি এবার চর্চা শুরু হয়েছে লক্ষ্মী যোজনাকে ঘিরে। এই প্রকল্পে যোগ্য মহিলাদের মাসে ২,৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, যারা ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা পাচ্ছেন, তাঁরা কি লক্ষ্মী যোজনার সুবিধাও পাবেন?
মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যেই সম্প্রতি লক্ষ্মী যোজনার অনুমোদন দিয়েছে দিল্লি সরকার। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রকল্পে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে লক্ষ্মী যোজনার জন্য নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালু হবে। সেই পোর্টালের মাধ্যমেই যোগ্য আবেদনকারীরা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন।
লক্ষ্মী যোজনার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করে নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন করতে হবে। আবেদন যাচাইয়ের পরই চূড়ান্তভাবে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।
সরকার চাইছে, রাখি পূর্ণিমার আগেই প্রথম কিস্তির টাকা সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে।
তবে এই প্রকল্পে অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম রাখা হয়েছে। দিল্লি প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা বরাদ্দ হলেও তার মধ্যে ১,০০০ টাকা নগদ তোলা যাবে।
বাকি ১,৫০০ টাকা সুবিধাভোগীর নামে রেকারিং ডিপোজিট (RD) হিসেবে জমা থাকবে। এই অর্থ সঙ্গে সঙ্গে তোলা যাবে না। জানা গিয়েছে, রেকারিং ডিপোজিট অংশে তিন বছরের লক-ইন পিরিয়ড থাকবে। অর্থাৎ, তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ওই ১,৫০০ টাকার সঞ্চিত অংশ তোলা যাবে না।
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, দুটি প্রকল্প আলাদা সরকারের এবং আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে। তাই অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়া মানেই লক্ষ্মী যোজনার সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলবে না।
আবার শুধুমাত্র অন্নপূর্ণার টাকা পাচ্ছেন বলেই লক্ষ্মী যোজনার জন্য আবেদন করা যাবে না— এমন কোনও নির্দেশও এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
