Bangladesh News: মির্জা গালিব কাণ্ডের পর এবার নড়েচড়ে বসল বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন। কলকাতায় আগত বাংলাদেশিদের জন্য বিরাট নির্দেশিকা কমিশনের তরফে। কী বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Bangladesh News: মির্জা গালিব স্ট্রিটকাণ্ডের জের। কলকাতায় আগত বাংলাদেশিদের জন্য এবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রক। সূত্রের খবর, চিকিৎসার প্রয়োজনে বা অন্য কোনও দরকারে কলকাতা আসা বাংলাদেশিদের আগাম হোটেল-লজ বুকিং করার কথা জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। শুধু তাই নয়, কলকাতায় কোনও হোটেল বুক করার আগে তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এই নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার।

বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের তরফে কী জানানো হয়েছে?

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে- কলকাতায় যে হোটেল বুক করা হয়েছে বর্তমানে কী অবস্থায় রয়েছে, কত ঘর রয়েছে— এই সমস্ত তথ্য ভালো করে জেনেই কলকাতায় সফর করা জরুরি বলে জানানো হয়েছে। চিকিৎসার প্রয়োজনে কলকাতায় এলে হোটেল থেকে হাসপাতালের দূরত্ব কত, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে কি না, সব জেনে নিতে বলা হয়েছে।

কী কারণে এই নির্দেশিকা?

মির্জা গালিব স্ট্রিটকাণ্ডের জেরে এবার আরও তৎপর পুলিশ। কলকাতায় হোটেল 'শিখা ইন'-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জনের মৃত্যুর পর অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে বড় পদক্ষেপ দমকলের। মির্জা গালিব স্ট্রিটের ৯টি গেস্ট হাউস এবং ৪টি রেস্তোরাঁকে শো-কজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। মির্জা গালিব স্ট্রিটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে ৭ জনই বাংলাদেশের নাগরিক। এবং দুজন ভারতীয়। তারা হলেন শিলিগুড়ির বাসিন্দা ৬৮ বছরের যোগ নারায়ণ অগ্রবাল এবং ঝাড়খণ্ডের গিরিডির বাসিন্দা ১৯ বছরের সন্দীপ পাসোয়ান। সন্দীপ কলকাতায় জীবনের প্রথম চাকরি করতে এসেছিলেন। অগ্নিদ্বগ্ধ হোটেলে কিছুদিন আগেই তিনি রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু শটসার্কিট থেকে আগুন লাগলে ক্রমশ তা ছড়িয়ে পড়ে রিসেপশনে।

মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?

অভিযোগ, এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও ফায়ার সেফটি ব্যবস্থায় একাধিক ত্রুটি রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে দমকল। দমকল সূত্রে খবর, এর আগেও অগ্নি নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলিকে একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এবার ফের নোটিসের পরও নিয়ম না মানলে আরও কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দমকলের। অগ্নিকাণ্ডের পর শহরের হোটেল, গেস্ট হাউস ও রেস্তোরাঁগুলির অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।