Suvendu Adhikari News:ডিটেক্টেড ডিফল্ট হোল্ডিং সেন্টার নির্দেশিকা জারি করা নিয়ে এবার বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের। সন্দেহভাজন বাংলাদেশি ধরতে এবার ময়দানে বঙ্গ বিজেপি। কী বলছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ  প্রতিবেদন…

Suvendu Adhikari News: রাজ্যে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিল নতুন বিজেপি সরকার। কেন্দ্রের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ নীতি মেনে জেলায় জেলায় তৈরি হচ্ছে ‘হোল্ডিং সেন্টার’। বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের প্রাথমিকভাবে রাখা হবে এই কেন্দ্রগুলিতে। ইতিমধ্যেই মালদার ইংরেজবাজারে চালু হয়ে গিয়েছে রাজ্যের প্রথম হোল্ডিং সেন্টার, যেখানে রাখা হয়েছে ৯ জন সন্দেহভাজনকে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া রাজ্য সরকার:-

অনুপ্রবেশই বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল ছাব্বিশের নির্বাচনে। রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতেই কেন্দ্রের নীতি মেনে ‘ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট’ পদ্ধতি শুরু করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর নির্দেশিকা আগেই জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, পূর্বতন সরকার কেন্দ্রের সেই নির্দেশ পালন করেনি। বিজেপি সরকার সেই আইন কার্যকর করল।

বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি হবে। জারি হয়েছে সরকারি নির্দেশ। সমস্ত ‘হোল্ডিং সেন্টার’-এ সন্দেহভাজনদের আটক করে ৩০ দিন রাখা যাবে। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃতেরা তো বটেই, যাঁরা এর আগে ধরা পড়েছিলেন এবং বন্দি ছিলেন, যাঁদের দেশের বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে, তাঁদেরও সেখানে রাখা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। নির্দেশিকা জারির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কাজ শুরু। মালদায় চালু হয়ে গেল রাজ্যের প্রথম হোল্ডিং সেন্টার। ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কের ভবনেই আপাতত মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ৯ জন সন্দেহভাজন বাংলাদেশী নাগরিককে এনে রাখা হয়েছে এই কেন্দ্রে। যার মধ্যে ৩ মহিলা এবং ৬ জন নাবালক-নাবালিকা রয়েছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে ধরে আনা হয়েছিল। গোটা এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বসানো হয়েছে হাই-রেজোলিউশন সিসিটিভি ক্যামেরা। এই সেন্টারের সুরক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে ১২ জন পুলিশ কর্মী, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স এবং ৩ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। বন্দিদের খাবারের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে বিশেষ রাঁধুনিও।

মালদা দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও, নবান্ন সূত্রে খবর, খুব দ্রুত বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও এই ধরণের হোল্ডিং সেন্টার চালুর কাজ শেষ করা হবে। ভোটের দেওয়া প্রতিশ্রুতি মতো অনুপ্রবেশ মুক্ত বাংলা গড়তে শুভেন্দু সরকার কতটা সফল হয়, এখন সেটাই দেখার।

অন্যদিকে, ডিটেক্টেড ডিফল্ট হোল্ডিং সেন্টার নির্দেশিকা জারি হতে বাংলাদেশিদের ঘরে ফিরতে সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহাকুমার স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুরের চেকপোস্টের ঘটনা। শতাধিক মহিলা পুরুষ বাংলাদেশী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধভাবে বসবাস করত। তারা দেশে ফেরার জন্য হাকিমপুর চেক করতে ভিড় জমিয়েছে। কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, অবৈধভাবে বাংলাদেশী বসবাসকারীদের চিহ্নিত করে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে। তারপর বিএসএফ তাদেরকে দেশে ফেরাবে। এদিকে তার আগেই সীমান্তে ভিড় জমিয়েছে শতাধিক বাংলাদেশি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।