Abhishek Banerjee: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ি শান্তিনিকেতনে শনিবার দুপুরবেলা গিয়েছিল সিআইডি-র চার সদস্যের একটি দল। কিন্তু সেই সময় অভিষেক পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়াক কুণাল ঘোষের বাড়িতে। 

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ি শান্তিনিকেতনে শনিবার দুপুরবেলা গিয়েছিল সিআইডি-র চার সদস্যের একটি দল। কিন্তু সেই সময় অভিষেক পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় গিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়াক কুণাল ঘোষের বাড়িতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের বাড়ির কর্মীরা জানিয়েছেন,'স্যার বাড়ি নেই।' অন্যদিকে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন অভিষেক তাঁর বাড়িতে রয়েছে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী কারণে শান্তিনিকেতনে সিআইডি?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি শান্তিনিকেতনে কী কারণে সিআইডি গিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সিআইডি-র পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। যদিও সূত্রের খবর তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের চিঠিতে একটি স্বাক্ষর সংক্রান্ত বিতর্কের জেরেই তদন্তে শান্তিনিকেতনে গিয়েছিল সিআইডি। সূত্রের খবর শান্তিনিকেতনেই নোটিস দেওয়া হয়েছে।

বেলেঘাটায় অভিষেক

বেলেঘাটায় ভোট পরবর্তী হিংসাকাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতেই গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এই কর্মসূচি ছিল পূর্বঘোষিত। এদিন তাঁর সোনারপুর দক্ষিণেও যাওয়ার কথা রয়েছে। কুণাল ঘোষ বলেন, 'আমার বাড়িতে অভিষেক ছিলেন। যিনি মারা গিয়েছেন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অভিষেক দেখা করেন। ওঁদের সমস্যাগুলি শোনেন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দিয়েছেন।' যদিও সিআইডি প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি কুণাল।

পরিষদীয় দলের চিঠি

বিধানসভায় পরিষদীয় দলের তরফে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তাতে কয়েক জন বিধায়কের সইতে অসঙ্গিত ছিল বলে অভিযোগ। সিআইডি সেই সংক্রান্ত তদন্তে কলকাতা পুলিশকে সহযোগিতা করছে। এর আঘএ সেই সূত্রেই শইআইঢই আধিকারিকরা গিয়েছিলেন চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতে।

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা, উপদলনেতা এবং মুখ্যসচেতক কে হবেন, এ নিয়ে পরিষদীয় নিয়মের জটিলতায় পড়তে হয়েছে প্রাক্তন শাসকদলকে। ৪ মে ভোটের ফলঘোষণার পরে ৬ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটের বাড়িতে জয়ী বিধায়কদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। সে দিনই দলের প্রস্তাবে বিধায়কেরা হাত তুলে সায় দিয়ে জানান, পরিষদীয় দলের নেতা, উপনেতা এবং মুখ্যসচেতক কে হবেন তা ঠিক করুন দলনেত্রী মমতা। এর পর শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক করার কথা জানানো হয় তৃণমূলের তরফে। সেই মর্মে দলের তরফে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসাবে অভিষেকের সই করা একটি চিঠি পাঠানো হয় বিধানসভায়। তা গৃহীত হয়নি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া

গোটা ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বেলেঘাটা থেকে কালীঘাটে ফিরে জানান, তিনি শান্তিনিকেতনে থাকেন না। তিনি থাকেন কালীঘাটের বাড়িতে। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে হলে সিআইডিকে কালীঘাটের বাড়িতে আসতে হবে। যদিও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই সেখানে যায় সিআইডি। তারপর বাড়ির নিচে নেমে সিআইডি আধিকারিকদের থেকে নোটিশ নেয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডি আধিকারিকদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, সিবিআই-এর কাছে মাথা নত করেননি, সিআইডির কাছেও মাথা নত করবেন না।