- Home
- West Bengal
- Kolkata
- বকেয়া ডিএ মেটাতে শুরু করছে নবান্ন? পোয়াবারো সরকারি কর্মীদের! কাজ এগোল আরও কয়েক ধাপ
বকেয়া ডিএ মেটাতে শুরু করছে নবান্ন? পোয়াবারো সরকারি কর্মীদের! কাজ এগোল আরও কয়েক ধাপ
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে নবান্ন বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের ডিএ দেওয়ার বিষয়ে একধাপ এগিয়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার বলে খবর।

কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ঘোষণা করেছিলেন, সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীরাও ডিএ পাওয়ার অধিকারী। গত ১৫ মার্চ ডিএ-র বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, সরকার অনুমোদিত স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিও ডিএ পাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন।
সেই প্রেক্ষিতে এবার কাজ শুরু করল নবান্ন। সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের ডিএ দেওয়ার বিষয়ে একধাপ এগিয়ে গিয়েছে রাজ্য সরকার বলে খবর।
মমতা জানিয়ে ছিলেন রোপা-২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ মার্চ ২০২৬ থেকে দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট বলছে সুপ্রিম কোর্টের ডেডলাইন ধরে ৩১ মার্চের মধ্যেই সরকারি কর্মীদের ২০১৬ থেকে ২০১৯, চার বছরের বকেয়া ডিএ-র টাকা রাজ্য দিয়ে দিয়েছে। এবার বাকি কর্মীদের বকেয়া মেটাতে উদ্যোগী রাজ্য।
সম্প্রতি রাজ্যের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) কীভাবে দেওয়া হবে, সেই নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে রাজ্যের অর্থ দফতর (Government of West Bengal Finance Department)। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার হিসেব-নিকেশ নিয়ে হয় বৈঠক।
সোমবার উচ্চ শিক্ষা দপ্তর তরফে রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের তালিকাও তলব করা হয়েছে।
নির্দেশিকায় রেজিস্ট্রারদের বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯ এর ডিসেম্বর, এই সময়ের জন্য সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির প্রত্যেক কর্মচারী বা পেনশনভোগীর বেতন ও ভাতা অথবা পেনশনের বিবরণ, প্রতি মাসে কত টাকা DA এবং DR প্রদান করা হয়েছে, তার হিসেব চূড়ান্ত করতে হবে।
স্বস্তিতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরাও
বলা হয়েছে, এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে একটি ডাটাবেস তৈরি করতে হবে। এরপর তথ্য ডিডিও-কে দিয়ে রেজিস্ট্রার ‘সার্টিফাই’ করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্মচারী বা পেনশনভোগীর পরিচিতি তালিকা ও চাকরি বইয়ের ওপর ভিত্তি করে।
প্রতিটি দপ্তরে মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ পেতে পারেন এমন কর্মীর সংখ্যা জানাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মী ও পেনশনভোগীদের প্রতি মাসে প্রকৃতপক্ষে কত ডিএ এবং ডিআর প্রদান করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার কাজ দপ্তরগুলিকে দ্রুত সেরে ফেলতে বলা হয়েছে।

