West Bengal Election Commission: বর্তমান অফিস থেকে সরে গিয়ে হাইকোর্টের কাছাকাছি শিপিং কর্পোরেশন ভবনে নতুন করে দফতর চালু করা হবে। আগামী সোমবার থেকেই ধাপে ধাপে আধিকারিকরা নতুন অফিসে কাজ শুরু করবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
West Bengal Election Commission: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। শতবর্ষ প্রাচীন বামার অ্যান্ড লরি ভবন ছেড়ে নতুন ঠিকানায় যাচ্ছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতর। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই জিনিসপত্র গুছিয়ে স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বর্তমান অফিস থেকে সরে গিয়ে হাইকোর্টের কাছাকাছি শিপিং কর্পোরেশন ভবনে নতুন করে দফতর চালু করা হবে। আগামী সোমবার থেকেই ধাপে ধাপে আধিকারিকরা নতুন অফিসে কাজ শুরু করবেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
সরছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের অফিস:-
প্রশাসনিক মহলের মতে, বর্তমান দফতরের জায়গা কাজের তুলনায় অনেকটাই কম হয়ে পড়েছিল। এছাড়াও গত বছর ভবনের একতলায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও উদ্বেগ বাড়িয়েছিল। সেই কারণেই নতুন ভবনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত বছরের শেষ থেকেই নতুন জায়গায় যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলায় স্থানান্তর পিছিয়ে যায়। অবশেষে ভোটের মুখেই এই বড় সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চলেছে।
অন্যদিকে, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই সরগরম বাংলা। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে ‘অবাধ ও শান্তিপূর্ণ’ করতে কোমর বাঁধছে কেন্দ্র। রাজ্যে আসছে আরও ১৯২০ কোম্পানি অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব মিলিয়ে মোট ২৪০০ কোম্পানি জওয়ানের পাহারায় হতে চলেছে এবারের ভোট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক চিঠি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই মোতায়েন থাকা ৪৮০ কোম্পানির সঙ্গে যোগ হচ্ছে আরও ১৯২০ কোম্পানি বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে CRPF, BSF, CISF, ITBP এবং SSB-র মতো দক্ষ বাহিনী।
সূত্রের খবর, শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীই নয়, ভোট সামলাতে অসম (Assam Police), হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের মতো ২১টি রাজ্য থেকেও আসছে বিশেষ পুলিশ বাহিনী (Police)। নির্বাচন মিটে গেলেই কি সব বাহিনী চলে যাবে? উত্তর হল— না। ২৯ এপ্রিল ভোট শেষ হওয়ার পর ১৭০০ কোম্পানি বাহিনী ফিরে গেলেও, গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ২০০ কোম্পানি বাহিনী স্ট্রং রুম ও গণনা কেন্দ্রের পাহারায় থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও ৫০০ কোম্পানি বাহিনী পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত রাজ্যেই থেকে যাবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


